শুক্রবার জগন্নাথ দেবের রথযাত্রার দিন খুঁটি পুজোর মধ্য দিয়ে হীরক জয়ন্তী বর্ষের থিম ভাবনা প্রকাশ করলো গ্রামীণ হাওড়ার শ্যামপুরের বাছরী ফুটবল মাঠের দুর্গা পূজা সমিতি।
উল্লেখ্য২০১৫সালে৫০তমবর্ষেকলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলের আদলে দুর্গা মন্ডপ তৈরি করে গ্রামীণ হাওড়ায় থিম পুজো কমিটির তালিকায় নিজেদের নাম দাখিলের পর থেকে ৫১ তম বর্ষে উড়িষ্যার ধবলগিরি মন্দির,
৫২ তম বর্ষে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের স্বর্ণ মন্দির, এছাড়াও কোনো বছর দিল্লির স্বামী নারায়ন মন্দির , কখনো আবার দাবার থিম , এবং ২০২২ সালে ৫৭ তম বর্ষে স্বপ্ন পরীর দেশ তৈর করে গ্রামীণ হাওড়া জুড়ে সোরগোল ফেলে দিয়েছিল এই পূজাদুর্গা কমিটি। সে বছর ভার্চুয়াল ভাবে এই পূজা মণ্ডপের শুভ উদ্বোধন করেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এরপর ৫৯ তম অর্থাৎ প্রাক হীরক জয়ন্তী বর্ষে বৃক্ষ রোপণের বার্তা দিতে বৃক্ষ মোদের মাতৃ শক্তি এই থিম ভাবনাকে পুজো মণ্ডপে ফুটিয়ে তুলেছিল হাওড়া জেলার ঐতিহ্যবাহী অর্ধ শতাব্দী প্রাচীন বাছরী ফুটবল মাঠ দুর্গা পূজা সমিতি।
এ বছর এই পুজো কমিটি হীরক জয়ন্তী বর্ষে পদার্পণ করল এবং ২৭ শে জুন রথ যাত্রার দিন বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও খুঁটি পুজোর মধ্য দিয়ে এইবছরের থিম ভাবনা প্রকাশ করল এই দুর্গা পূজা কমিটি। এই বছর তাদের থিম ভাবনা " আলোক স্পর্শে দেবী দশভূজা"।
পূজা কমিটির সম্পাদক অভিজিৎ মল্লিক বলেন আনুমানিক ৩০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সুবিশাল মন্ডপ তৈরি করা হচ্ছে।বিশ্ব জুড়ে যুদ্ধ নামক যে অন্ধকার সৃষ্টি হচ্ছে সেই অন্ধকার থেকে বিশ্ব বাসীকে আলোর পথ দেখাতে এইবছর আমাদের মন্ডপে দশভূজা আসছেন আলোক স্পর্শে। লক্ষাধিক সুদৃশ্য আলোক মন্ডলী দ্বারা পুজো মণ্ডপ সাজিয়ে তোলা হবে যা গ্রামীণ হাওড়ায় আলোড়ন সৃষ্টি করবে" বলে মনে হয়।










