আরতি কটন মিল খোলার দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন
নিজস্ব সংবাদদাতা, হাওড়া:
চিৎকার করে একে অপরের উপর কটূক্তি নয়। তথ্য প্রমান দেখিয়ে একে অপরের উপর বিরোধিতা করাও নয়। বরঞ্চ সব দল একত্রিত হয়ে নেমে পরেছেন আন্দোলনে। সোমবার দুপুরে হাওড়ার দাশনগরের আরতি কটন মিলের বিভিন্ন ইউনিয়নের শ্রমিকরা এভাবেই একইসঙ্গে আন্দোলন করলেন। তবে সেই আন্দোলনটা একদিনের নয়। দীর্ঘ সময় ধরে তৃণমূল, সিপিআইএম ও কংগ্রেসের শ্রমিক ইউনিয়ন এখানে এভাবেই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে । একাধিক দাবি নিয়ে তাঁরা সোমবার দুপুরে বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। তাদের দাবি অবিলম্বে মিলের উৎপাদন শুরু করতে হবে, শ্রমিকদের বকেয়া বেতন , বোনাস ও অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা দিতে হবে। এই বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন কর্মসূচিতে সিপিএম, কংগ্রেস ও তৃণমূলসহ মোট চারটি ইউনিয়নের শ্রমিকরা উপস্থিত ছিলেন। আইএনটিইউসির রজ্য মহিলা সভানেত্রী শ্রাবন্তী সিং , শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক জগন্নাথ ভট্টাচার্য , আইএনটিইউসি নেতা মানস ব্যানার্জি উপস্থিত ছিলেন এদিনের এই কর্মসূচিতে । এই ডেপুটেশন কর্মসূচিতে কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের দাবি বিবেচনা করার আশ্বাস দেন।
রাজ্য মহিলা আইএনটিইউসির সভানেত্রী শ্রাবন্তী সিং জানান , দেশের ২২ টি কটন মিলে যখন শ্রমিকরা বকেয়া বেতন পেয়েছে সেখানে রাজ্যের গর্ব আরতি কটন মিলে শ্রমিকরা বেতন পায়নি দুমাস। আমাদের দাবি অস্থায়ী কর্মীদের স্থায়ীকরণ করতে হবে, অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের পেনশন দিতে হবে ও শ্রীঘ্যই মিলের উৎপাদন শুরু করতে হবে। তিনি বলেন এই মিল বন্ধ করার চক্রান্ত চলছে। কিন্তু আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব। শ্রমিকদের রক্ত হবে না ব্যর্থ। এর আগেও পার্লামেন্টে অধীর চৌধুরী ও সাংসদ প্রসূণ ব্যানার্জির জন্য এই মিল খুলেছিল । তাই আমাদের বিশ্বাস এই মিলও পুনরায় খুলবে বলে তিনি জানান ।


