বাবা ও ছেলে দুজনেই রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত, হাওড়ার রামরাজাতলা যেন সংস্কৃতির উদ্যান
নিজস্ব সংবাদদাতা, হাওড়া:
বাবা ও ছেলে দুজনেই রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত । বাবা পেয়েছেন রাষ্ট্রপতি পুরস্কার ১৯৭৫ সালে। আর ছেলে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পেয়েছেন ২০০০ সালে। হাওড়ায় তাঁদের দ্বারা নির্মিত সংগঠন যেন একটা আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম । সেখানে বিদেশের বহু ছাত্রছাত্রীরা আসেন। হাওড়ার রামরাজাতলা যেন সংস্কৃতির উদ্যান। প্রসঙ্গ বিখ্যাত শরদ বাদক পন্ডিত অলোক লাহিড়ী ও তাঁর ছেলে অভিষেক লাহিড়ীর । দুজনেই শরদ বাদক। তাঁরা দেশে বিদেশে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। বিদেশের বহু ছাত্রছাত্রীরা পন্ডিত অলোক লাহিড়ীর কাছে শরদ বাজানো শেখেন। যথারীতি তাঁদের মধ্যে অনেকেই প্রতিষ্ঠিত । অনেক সময় দেখা যায় বাবা প্রতিষ্ঠিত হলেও ছেলে সেই উচ্চতায় যেতে পারেননি। কিন্তু এক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী পটভূমিকা এই বাবা সন্তানের। তাঁদের সংগঠনের নাম সুর সঙ্গম । চার জানুয়ারি ২০২৫ হাওড়ার টাউন হলে হবে এই সুর সঙ্গমের আকর্ষণীয় অনুষ্ঠান। যেখানে দেশী বিদেশী শিল্পীরা উপস্থিত থাকবেন। উপস্থিত থাকবেন পন্ডিত অলোক লাহিড়ীর বিভিন্ন ছাত্রছাত্রীরা । ওইদিন হাওড়ার টাউন হলে মিশে যাবে হলান্ডের ক্রিশের সৃষ্টি। পন্ডিত অলোক লাহিড়ী এই সম্পর্কে এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানান রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে ১৯৭৫ সালে পুরস্কার পেয়েছেন । তাঁর ছেলে অভিষেক লাহিড়ী ২০০০ সালে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পেয়েছেন । দেশে বিদেশে নানা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে অনেক সম্মান পেয়েছেন তাঁরা । আগামী প্রজন্মকে ভারতের সংস্কৃতি, ভারতের গর্ব শাস্ত্রীয় কলা ফিরিয়ে আনার চেষ্টাই তাঁদের আগামী লক্ষ । পন্ডিত অলোক লাহিড়ীর ছেলে অভিষেক লাহিড়ী জানান, বাবাকে অনুসরণ করেছি। আর সেটা করেছি মনোবল স্থির রেখে । ক্ল্যাসিক্যাল কলা ফিরিয়ে আনা ও শরদের গুরত্ব বাড়িয়ে দেওয়াই তাঁদের লক্ষ ।
প্রসঙ্গত দেশের বিখ্যাত শিল্পীদের সঙ্গে অনুষ্ঠান করা হাওড়ার রামরাজাতলার বাসিন্দা এই দুই পুষ্প ফুটছে বিদেশে। যখন এই ফুল ফুলবৃন্দ হয়ে ছড়িয়ে পরবে গোটা পৃথিবীতে তখনই স্বার্থক হবে ভারতের ফুসফুস । অন্তত তাঁদের এই দীর্ঘ তিরিশ বছরের ধ্যান সেটারই ইঙ্গিত দিল।

