পড়ুয়াদের স্কুলমুখি করতে অভিনব উদ্যোগ শ্যামপুরে
হাওড়া জেলার প্রত্যন্ত সংখ্যালঘু মুসলিম অধ্যুষিত গ্রাম পাঁচসেরাপাড়া। এই গ্রামেই ১৯৮৪সালে তৈরী হয়েছিল "পাঁচসেরাপাড়া মর্নিং স্কুল "।ঠিক মতো শিক্ষার আবহ তৈরী না হওয়ায় অন্যান্য স্কুল গুলির তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছিল এই স্কুলটি। বর্তমানে এই বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব নেন সৌরদীপ জানা। নতুন ভাবে সজাতে শুরু করেন শিক্ষাঙ্গণটিকে। আগেই ছোটদের মনোরঞ্জনের জন্য শ্রেণীকক্ষ থেকে বাইরের দেওয়াল গুলিকে রাঙিয়ে তোলা হয়েছিল পঠন উপযোগি নানান ছবিতে।
এখন শুরু হয়েছে যোগব্যায়াম, ছবি আঁকার নিয়মিত ক্লাস। বিদ্যালয়ে কম্পিউটার না থাকায় নিজের ট্যাব ব্যবহার করে পরিবেশ বৈচিত্র শেখানো হয় হাতে কলমে।
গতানুগতিক মিড ডে মিলের পরিবর্তে ছাত্র ছাত্রীদের পাতে উঠেছে বিরিয়ানি, ফ্রায়েড রাইস, পায়েস, মিষ্টি থেকে নানান মরসুমি ফল।
নববর্ষ, ঈদ্, সরস্বতিপূজা, যোগদিবস, বসন্তোৎসবের মতো প্রতি উৎসবে শুরু হয়েছে অনুষ্ঠান।
স্থানীয় অভিভাবকেরা সোৎসাহে তাদের সন্তানদের স্কুলমুখি করছেন এখন।
অভিভাবিকা সামিনা খাতুন সহ অন্যান্য অভিভাবকেরা জানান, পঠন পাঠন ও মিড ডে মিল নিয়ে তারা অত্যন্ত খুশি। সরকারি অনুমোদিত অর্থে এমন মহার্ঘ ব্যবস্থা কি ভাবে সম্ভব? এই প্রশ্নের উত্তরে সৌরদীপ বাবু জানান-ইচ্ছে আর মানসিকতা থাকলে সবই সম্ভব।
চল্লিশ বৎসরের এই বিদ্যালয়ে শিশু শ্রেণি থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পঠন পাঠন ব্যবস্থা রয়েছে।
শিক্ষক সংখ্যা তিন জন।







