দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন অর্থাৎ ডিভিডির ছাড়া জলে রাজ্যে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার কারণে ডিভিসির সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করার হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বৃহস্পতিবার হাওড়া জেলার উদয়নারায়ণপুর এবং আমতা বিধানসভা কেন্দ্রের এলাকা কুলটিকরিতে বন্যা পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করতে আসেন। এদিন তিনি রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি অবনতির জন্য সরাসরি ডিভিসি কে কাঠগড়ায় তোলেন, এবং এই ভয়ঙ্কর বন্যাকে ম্যান- মেড বন্যা বলে ইতিমধ্যেই আখ্যা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বৃহস্পতিবার রাজ্যের মন্ত্রী পুলক রায়,মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, বিধায়ক সুকান্ত পাল,অরুনাভ সেন বিধায়ক নির্মল মাজী,এবং সমীর পাঁজা, সাংসদ সাজদা আহমেদ,কে পুরো বন্যা পরিস্থিতি মনিটরিং করার নির্দেশ দেন।।
মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন যার জমি শস্য বীমার অধীনে হওয়ায় পরবর্তীতে চাষের ক্ষেত্রে তেমন কোনো সমস্যা না হলেও যাদের মাটির বাড়ি ভেঙে গিয়েছে তাদের একটা আলাদা লিস্ট তৈরি করতে হবে। পাশাপাশি ত্রাণ শিবির গুলোকে চালু রাখতে হবে, যতক্ষণ না মানুষ বাড়িতে গিয়ে রান্না করার মত পরিস্থিতিতে পৌঁছন"। প্রসঙ্গত প্রায় পাঁচ লক্ষ কিউসেক জল ছেড়েছে এ কথাও জানান তিনি। জল ছাড়া প্রসঙ্গে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে তিনবার ফোন করেছিলেন তিনি এ কোথাও জানান।
এই বন্যার পর আরও ১ লক্ষ বাড়ি নতুন করে তৈরি করা হবে হাওড়ায় তার লিস্ট তৈরি করার জন্য তিনি জেলা শাসক পি দীপপ্রিয়াকে নির্দেশ দেন। বন্যার সময় এবং পরবর্তী সময়ে মেডিকেল ক্যাম্পের দিকে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি বলেন মেডিকেল ক্যাম্প গুলিতে সাপে কামড়ের ওষুধ, ডায়ারিয়ার ওষুধ পর্যাপ্ত মজুত করতে হবে। তবে এখনো পর্যন্ত জুনিয়র ডাক্তাররা কাজে যোগ না দেওয়ায় মেডিকেল ক্যাম্পে সমস্যা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। আগামী তিন দিন ঝাড়খন্ড সীমান্ত বন্ধ থাকবে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি এদিন বি জে পি ও সি পি এমের বিরুদ্ধে বাংলাকে বদনাম করার অভিযোগ করেন তিনি।











