মালদা:
নিম্নমানের খাবার দেওয়ার অভিযোগে আইসিডিএস কর্মীকে ঘিরে বিক্ষোভ।ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার দিন মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর এক নম্বর ব্লকের ভিঙ্গল গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ডুমুরকোলহা গ্রামে।খবর সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিককে দেখে তেড়ে আসেন আইসিডিএস কর্মী হুসনে বানু। গ্রামবাসীর অভিযোগ, প্রতিদিন নিয়মিত রান্না হয় না।নিম্নমানের খাবার দেওয়া হয়। নানান অজুহাত দেখিয়ে সেন্টার বন্ধ রাখে ওই আইসিডিএস কর্মী।একথা খোদ স্বীকার করেছেন ওই আইসিডিএস সেন্টারের রাঁধুনিও। এই নিয়ে একাধিকবার গ্রামবাসী অভিযোগ জানালে,আইসিডিএস কর্মী নিজের ইচ্ছা মতো কাজ করছে। তাই আজকে গ্রামবাসীরা আইসিডিএস কর্মীকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান।এই ঘটনাকে ঘিরে রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকা জুড়ে।
বিক্ষোভকারী ডুমোরকোলহা গ্রামের বাসিন্দা সাবিনা ইয়াসমীন বলেন,ছয় মাস ধরে সে নিয়মিত খওয়ার দেই না। সপ্তাহে একদিন বা দুদিন রান্না করে।ডিম একদিনই দেওয়া হয়। আমরা এ নিয়ে বলতে গেলে সে নোংরা ভাষায় আমাদের গালিগালাজ করে।নানান অজুহাত দেখায় সেন্টার ছুটি রাখে।নিজস্ব আইসিডিএস সেন্টারের কোন ঘর নাই।গ্রামেরই একজনের বাড়িতে রান্না হয়।
রাধুনী মঙ্গলি দাস বলেন,আমাকে সঠিক পরিমাণে সবজি ও যা সামগ্রী লাগে সেগুলো দেয় না।আমাকে যা দেওয়া হয় আমি সে দিয়েই রান্না করি।আজকে গ্রামবাসীরা যা অভিযোগ করছে সেটা সত্যি।আমি অনেকবার জানিয়েছি কর্মীকে কিন্তু আমার কোন কথাই শুনেন না।
আর এই ঘটনা নিয়ে ওই আইসিডিএস কর্মী হুসনে বানুকে ক্যামেরার সামনে ধরা হলে।তিনি সাংবাদিকের ক্যামেরা সামনে মুখ খুলতে চাননি।ও তিনি ক্যামেরা দেখে বন্ধ করার চেষ্টা করেন।
এই ঘটনা নিয়ে হরিশ্চন্দ্রপুর এক নম্বর ব্লকের যুগ্ম সমষ্টি আধিকারিক মোহাম্মদ আলী রুমী বলেন কিছুক্ষণ আগে আমরা এই ঘটনাটা শুনলাম,আইসিডিএস সেন্টারে নিয়মিত খাবার দেয় না এই ঘটনায় আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লকের সিডিপিও আব্দুল সাত্তার বলেন,ওই আইসিডিএস কর্মীর বিরুদ্ধে আগেও অভিযোগ হয়েছিল তারপরও আমরা এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তারপরে যে আজকে ঘটনাটা আমরা শুনলাম, তা তদন্ত করে কোঠর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


