তা
রপর স্কুল খুললেও গরমের যন্ত্রণা থেকে রেহাই পায়নি ওরাও। ইতিমধ্যেই ওরা জেনে গিয়েছে গাছ লাগানোর প্রয়োজনীয়তা। ওরা সকলেই প্রাইমারি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী। শৈশবের খেয়ালে ইতিমধ্যেই বাড়ির আশপাশে দু একটা করে গাছ লাগিয়েছে ওরা। কিন্তু ওদের গাছ লাগানোর সঙ্গে এবার ওরা পেয়ে গেল এক দাদুকেও। আবার তিনি যে কেউ নন-খোদ শ্যামপুরের বিধায়ক কালীপদ মন্ডল ।
এতদিন ওরা দূর থেকে দেখেছিল মিটিং মিছিল সামাজিক অনুষ্ঠানে কালী দাদুকে। এবার বিধায়ক কালীপদ মন্ডল বা কালী দাদু কে সঙ্গে নিয়ে গাছ লাগানোয় মেতে উঠলো তারা। বুধবার হাওড়া জেলার সীমান্ত এলাকার শিবগঞ্জে স্থানীয় ডিঙ্গা খোলা গ্রাম পঞ্চায়েত এবং ভাগিরথী কো অপারেটিভ জয়েন্ট ফার্মিং সোসাইটি লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে গণবীক্ষ রোপন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হলো।
এই সোসাইটির সম্পাদক শৈলেন সামন্ত এবং সভাপতি অনুপ বাগ জানান প্রায় ৩ একর জায়গা জুড়ে আগামী এক বছর ধরে কয়েক হাজার গাছ লাগানো হবে। যার মধ্যে থাকবে আম জাম কাঁঠাল ইউক্যালিপটাস ইত্যাদি। এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করতে এসে কচিকাঁচাদের সঙ্গে গাছ লাগালেন শ্যামপুরের বিধায়ক কালিপদ মন্ডল। হাতের কাছে পেয়ে কচিকাঁচারা রীতিমতো ঘরোয়া পরিবেশ তৈরি করে ফেলল কালিপদ বাবুকে ঘিরে। আর উদ্যোক্তাদের আতিথেয়তার চেয়ে কচিকাঁচাদের এই হুল্লোড়ে রীতিমতো অভিভূত হয়ে উঠলেন বিধায়ক। বলাই বাহুল্য ঘটনাটি তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করলো অনুষ্ঠান দেখতে আসা কয়েকশো সাধারণ মানুষ।
আরো উপস্থিত ছিলেন শ্যামপুর ১নং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মৃন্ময় মান্না, সহসভাপতি অপর্না দোলুই ,কর্মাধ্যক্ষ কৃষ্ণেন্দু পুরকাইত, জেলা পরিষদের সদস্যরা মন্দিরা মন্ডল,ডিঙ্গাখোলা পঞ্চায়েতের প্রধান শান্তি রঞ্জন মাইতি,ভাগিরথী কো অপারেটিভ সোসাইটির সভাপতি শৈলেন সামন্ত, সভাপতি অনুপ কুমার বাগ প্রমুখ।





