রবীন্দ্র, নজরুল, সুকান্তকে এক সূত্রে বেঁধে দীর্ঘ ৪৩ বছর ধরে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা মুলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আসছে কুল্টিকরী মধ্যপাড়া একতা গোষ্ঠী।
হাওড়া জেলার একেবারে শেষ তথা দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত তিনদিক নদী বেষ্টিত জনপ্রদ শ্যামপুরকে সংস্কৃতি মুখর করে তুলতে শ্যামপুর ২ নং ব্লকের বাছরী গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কুল্টিকরি গ্রামের একদল সংস্কৃতি প্রেমী, উদ্যমী যুবকদের তত্বাবধানে পথ চলা শুরু হয় কুল্টিকরী মধ্যপাড়া একতা গোষ্ঠী নামক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের। সূচনার প্রাক লগ্ন থেকেই রবীন্দ্র, নজরুল, সুকান্ত স্মরণে সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি প্রতিযোগিতা ও সমাজ সচেতনতামূলক নাটক আয়োজনের মধ্যদিয়ে এলাকার মানুষদের সংস্কৃতি মনষ্ক করার সংকল্প নেই এই সংগঠন। তালিকায় জায়গা করে নেই এলাকার কৃতি পড়ুয়া ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সংবর্ধনা জ্ঞানের মতো অভিনব উদ্যোগও।পরবর্তীকালে সময়ের সাথে পল্লা দিয়ে নৃত্য, সঙ্গীত, আবৃত্তি প্রতিযোগিতার পাশাপাশি, অঙ্কন , ক্যুইজ প্রতিযোগিতা সহ সমাজ কল্যাণমূলক স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির, চক্ষু পরীক্ষা শিবিরে মতো মহৎ কর্মসূচি অনুষ্ঠান তালিকাভুক্ত হয়। প্রতিবছর কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও ভাবুক কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যকে স্মরণে রেখে তিন প্রজন্ম ধরে তিনদিন ব্যাপী এই সংস্কৃতিমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আসছে কুল্টিকরি মধ্যপাড়া একতা গোষ্ঠী। প্রসঙ্গত জানিয়ে রাখা ভালো চলতি বছর এই সংগঠনের আয়োজনে ৯ই জুন অনুষ্ঠিত হওয়া থ্যালাসেমিয়া ও মুমূর্ষ রোগীদের সাহায্যার্থে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরের মোট ৯০ জন রক্তদাতা স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন।
শি
বিরের মহিলা রক্তদাতাদের অংশগ্রহন ছিল চোখে পড়ার মতো। অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে সংগঠনের তরফে শিক্ষক অভিজিৎ প্রামাণিক জানান " স্থানীয় মানুষদের সংস্কৃতিমনষ্ক করতে দীর্ঘ ৪৩ বছর ধরে আমরা রবীন্দ্র, নজরুল সুকান্ত স্মরণে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আসছি।
তবে আমাদের এই অনুষ্ঠানের ব্যাপ্তি এখন আর শুধুমাএ শ্যামপুরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। গোটা হাওড়া জেলার মানুষের আগমনে এবং অংশগ্রহণে কুল্টিকরী মধ্যপাড়া একতা গোষ্ঠী ক্রমশ বট বৃক্ষে পরিণত হয় হচ্ছে।
আমরা চেষ্টা করবো যাতে আগামীতে আমাদের এই অনুষ্ঠান ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধন ঘটিয়ে আরো সময় উপযোগী হয়ে উঠতে পারে







