পুরাতন মালদা:-
রাতের অন্ধকারে জাতীয় সড়কের উপর সিভিক ভলেন্টিয়ারদের দাদাগিরি! দ্রুত গতিতে ছুটে আসা বাইক আরোহীদের চোখে টর্চ লাইটের ছাটা দিয়ে বাইক থামিয়ে টাকা তোলার অভিযোগ করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এক দুই দিন নয় বেশ কয়েকদিন ধরে এমনই হয়ে চলে আসছে পুরাতন মালদা ব্লকের সাহাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাইপাস ডিসকো মোড় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে।
তবে বৃহস্পতিবার রাত্রি সাড়ে সাত'টা নাগাদ গাজোল থেকে মালদা গামী দুইজন বাইক আরোহী দ্রুত গতিতে যাওয়ার সময় তাদের চোখে টর্চ লাইটের ছাটা অভিযোগ উঠল কর্তব্যরত কয়েকজন সিভিক ভলেন্টিয়ারদের বিরুদ্ধে।
যার ফলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডিভাইডারে ধাক্কা মারে বাইক, ঘটনাস্থলে দুইজন গুরুতর জখম হন এবং আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন মালদা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে।
যদিও ওই দুই যুবকের নাম পরিচয় এখনো পর্যন্ত জানা যায়নি।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটেছে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাদের অভিযোগ সিভিক ভলেন্টিয়ারের এই অমানবিক ভূমিকা জানিয়ে তারা বেজায় ক্ষুব্ধ। অবশেষে মালদা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছালে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। অন্যদিকে বেপরোয়া সরকারি বাসের ধাক্কায় গুরুতর যখন সাইকেল আরোহীর। ঘটনায় উত্তেজিত জনতার এক ঘন্টা অবরোধ ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক।
জানা গেছে গুরুতর জখম যুবকের নাম বৈদ্য হেমব্রম (২৫), বাড়ির পুরাতন মালদা ব্লকের মহিষবাথানি পঞ্চায়েতের মেকপুর গ্রামে। বৃহস্পতিবার রাত্রি আটটা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে ভাবুক অঞ্চলের আট মাইল ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে। রাস্তা পারাপার করার সময় বেপরোয়া দ্রুত গতিতে ছুটে আসা সরকারি বাসের ধাক্কায় ঘটনাস্থলে গুরুতর জখম হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, যুবকের মাথায় চোট পেয়েছে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসার জন্য মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে আশঙ্কা জনক অবস্থায় ওই যুবকের চিকিৎসা চলছে।
এদিকে উত্তেজিত জনতার অভিযোগ কর্মরত সিভিক ভলেন্টিয়াররা ট্রাফিক ডিউটি সঠিকভাবে না করায় এই দুর্ঘটনা। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ। পাশাপাশি উচ্চ বাতিস্তম্ভ থাকলে এই দুর্ঘটনা অনেকটা এড়ানো যেত। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি দ্রুত ট্রাফিক ব্যবস্থা সচল এবং ট্রাফিক সিগন্যাল সহ লাইটের প্রয়োজন। দীর্ঘ এক ঘন্টা টানা অবরোধের জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে যান চলাচল অবশ্য সেই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে মালদা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং অবরোধকারীরা অবরোধ তুলে নিলে যান চলাচল সচল হয়।


