এবছর রাজ্য সরকার মৎস্যজীবী নিবন্ধীকরণ ও মৎস্যজীবী বন্ধু নামে দুটি পৃথক প্রকল্প চালু করে রাজ্যের প্রায় 35 লক্ষ মৎস্যজীবীদের আরো বেশি করে সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুরক্ষা সুনিশ্চিত করেছে।
প্রথম প্রকল্পে রাজ্যের সকল মৎস্যজীবীদের কাজের ক্ষেত্র ভিত্তিক তালিকা তৈরি এবং প্রত্যেক মৎস্যজীবীকে মৎস্যজীবী নিবন্ধীকরণ সচিত্র পরিচয়পত্র দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।
দ্বিতীয় প্রকল্পে মৎস্যজীবী পরিবারের 18-60 বছর বয়সের মধ্যে কারোর যে কোন কারনে মৃত্যু হলে সরকার সেই পরিবারকে 2 লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য করবে।
এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের রূপায়ণের জন্য মৎস্য দপ্তরের আধিকারিক সংগঠন স্টেট ফিসারী অফিসার্স অ্যসোসিয়েশন, ওয়েস্ট বেঙ্গল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও মৎস্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে আজ ধন্যবাদ জ্ঞাপন কর্মসূচি পালন করলো হাওড়া জেলায়।
এই কর্মসূচিতে জেলার মৎস্যজীবীরাও অংশগ্রহন করেন। এই কর্মসূচিতে যোগদানকারী হাওড়া জেলার মৎস্যজীবী বিশ্বনাথ মান্না বলেন, 'আমি এবছর দুয়ারে সরকারে মৎস্যজীবী রেজিস্ট্রেশানের ফর্ম জমা করেছিলাম। ছবি সহ কার্ড পেয়েছি। আমরা জল মাছ নিয়ে থাকি। কোন রকমের দুর্ঘটনা ঘটে গেলে পরিবার আর্থিক সাহায্য পাবে। এটা আমাদের খুব দরকার ছিল। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও মৎস্যমন্ত্রী বিপ্লব রায় চৌধুরীকে আমার শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাই"।আয়োজক সংগঠনের জেলা সম্পাদক ড: রবীন্দ্রনাথ কুন্ডু জানান, "এবছর আমাদের সংগঠনের সুবর্ন জয়ন্তী বছর।
এ বছরেই রাজ্য সরকার মৎস্যজীবীদের জন্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প চালু করেছে। তাই আজ আমরা জেলার মৎস্যজীবীদের সঙ্গে নিয়ে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী ও মাননীয় মৎস্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানালাম। নিঃসন্দেহে এই দুটি প্রকল্প রাজ্যের মৎস্যজীবী ও তাদের পরিবারের উপকারে আসবে"।





