
গজোল থানা এলাকায় শ্বশুরবাড়ি তাঁর। অভিযুক্ত স্বামী কোনও কাজকর্ম করেন না। হাতে টাকা না থাকায় পণের জন্য চাপ দিতে থাকে রুপার ওপর। এদিকে দাবিমতো পণ দিতে না পারায় দিনের পর দিন মারধর করা হত বলে অভিযোগ।
রাতে তাঁর ঝুলন্ত দেহ দেখেন পরিবারের লোকেরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে গাজোল গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে জানান।
পরে দেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয় মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গে।

