সারা বাংলা মিড-ডে মিল কর্মী ইউনিয়নের হাওড়া গ্রামীণ জেলা শাখার উদ্যোগে মিছিল,পথ অবরোধ,
উলুবেড়িয়া মহকুমা শাসকের কাছে রেপুটেশন।
গত মাস থেকে রাজ্যের ২ লক্ষ ৩৫ হাজার মিড-ডে মিল কর্মীদের উপর কাজের বোঝা যে পরিমাণ বেড়েছে, তা একেবারেই পীড়নের পর্যায়ে।
বিষেশত নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্য সরকার এপ্রিল মাস পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রী অতিরিক্ত খাবারের অর্থ বরাদ্দ করেছেন।
আর অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকার যথাযথ পৌষ্টিক মান যাচাইয়ের জন্য পর্যবেক্ষক টিম নিয়ে বিভিন্ন বিদ্যালয়ে পরিদর্শন করছেন।
এই দুই কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের যাঁতা কলে পিষ্ঠ হচ্ছেন রাজ্যের ২ লক্ষাধিক কর্মী। কর্মীদের আশা এবারের বাজেটে কেন্দ্র সরকার, নিশ্চয় সমগ্র দেশের সাথে রাজ্যের মিড-ডে মিল কর্মীদের কথা নিশ্চয় ভাববেন।
কিন্তু কেন্দ্র সরকার মিড-ডে মিল কর্মীদের বা ছাত্র-ছাত্রীদের বিষয়ে সম্পূর্ন উদাসীন। এই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বাজারে যেখানে এই প্রকল্পে টাকা বৃদ্ধি করা একান্ত প্রয়োজন ছিল অথচ তা না করে বরাদ্দ থেকে আরও ১২০০ কোটি টাকা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্র সরকারের এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ন ছাত্র-ছাত্রী ও মিড-ডে মিল রান্নার কাজে যুক্ত কর্মীদের স্বার্থ বিরোধী, যার প্রতিবাদ কলকাতায় বিক্ষোভ ও রাজ্যপালের নিকট ডেপুটৈশনের মাধ্যমে জানিয়েছেন মিড ডে মিলের কর্মীরা,
আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারী রাজ্য বাজেট। এপ্রিল মাস পর্যন্ত রাজ্য সরকার মিড ডে মিলের অতিরিক্ত খাবার বরাদ্দ করেছেন।
মিড ডে মিলের কর্মীরা মনে করেন রাজ্য সরকার চাইলে এই অতিরিক্ত বরাদ্দ সারা বছর চালাতে পারে ও মিড-ডে মিল কর্মীদের বেতন বৃদ্ধি করতে পারে ।
রাজ্য বাজেটে মিড-ডে মিল কর্মীদের জন্য অর্থ বরাদ্দ, এবং শুধু এপ্রিল নয়, সারা বছর এই প্রকল্পের অতিরিক্ত বরাদ্দ যুক্ত করার দাবিতে-
সোমবার উলুবেড়িয়া স্টেশন দুপুর ১টায় জমায়েত হয়ে মিছিল করে গরুহাটা মোড়ে গিয়ে কেন্দ্রীয় বাজেটের প্রতিলিপি পোড়ায়।
এই প্রতিলিপিতে অগ্নি সংযোগ করেন হাওড়া গ্রামীণ জেলার সভানেত্রী মমতা মণ্ডল। তারপর উলুবেড়িয়া মহকুমা শাসকের অফিসে বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন দেয়। এই ডেপুটেশনে প্রতিনিধিত্ব করেন মমতা মণ্ডল, রুনু সিং, সম্পা দেবনাথ, প্রতিমা মন্ডল ও নিখিল বেরা।
মহাকুমা আধিকারিক ছাঁটাই কর্মীদের পুনর্বহালের বিষয় এবং মিড ডে মিল কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির বিষয় গুরুত্ব সহকারে যথাযথ জায়গায় ওয়াকিবহাল করবেন বলে আশ্বাস দেন।










