রাস্তার মধ্যে পরে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দা শেখ রাকিবুল ও দেবাঞ্জন। খবর দেওয়া হয় Emergency Response Team গ্রূপের ADMIN রবি ভৌমককে ।খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে গ্রুপের মেম্বাররা ছুটে যায়, অনেক রাত হয়ে যাওয়ার কারণে এমার্জেন্সি টিম রাস্তা থেকে সরিয়ে রাখার পরামর্শ দেয় মেম্বারদের। আজ বুধবার সকাল আটটা নাগাদ এমার্জেন্স টিম ঘটনাস্থলে যায় সঙ্গে থাকে বনদপ্তরে কর্মীরা। ঘটনাটি বনদপ্তরের আধিকারিকদের জানানো হলে বন বিভাগের কর্মীরা এসে বন বিড়াল ময়না তদন্তের জন্য নিয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান রাস্তা পারাপারের সময় এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। এই প্রসঙ্গে শ্যামপুরের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সম্পাদক রবি ভৌমিক উল্লেখ করেন বিগত "দুবছর" ধরে বন্যপ্রাণী সংরক্ষনের বিষয়টি নজরে আনছি বন দপ্তরের। ।
কিন্তু সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে সম্প্রসারিত, ফাঁকা রাস্তায় অনিয়ন্ত্রিত গাড়ির গতির কারনে মৃত্যু ঘটছে বাঘরোল সহ একাধিক বন্যপ্রাণীর।সেক্ষেত্রে প্রশাসনের কাছে গাড়ির গতি কমানোর জন্য রাস্তার ধারে সাইন বোর্ড, স্পিড ব্রেকার লাগানোর আর্জি বার বার করার সত্ত্বেও আজও কোনো সঠিকভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।
আর এই ভাবে বন্যপ্রাণীদের মৃত্যু মিছিল অব্যাহত থাকলে পৃথিবী থেকে একদিন হারিয়ে যাবে আমাদের রাজ্যের, রাজ্যপ্রাণী বাঘরোল, বন বিড়াল ইত্যাদি আস্তে আস্তে বিলুপ্ত হতে শুরু করবে বলে তিনি জানান ।



