কবিরাজ অনন্ত কৃষ্ণ সেন শর্মার লেখা বইটি ৩৩ বছর পর পুনরায় মুদ্রিত হল এই বইটি। তাঁর তিন নাতি - নাতনির উদ্যোগে বইটি মুদ্রিত হল। তাঁরা হলেন পারমিতা সেনগুপ্ত, বৈশাখী সেন শর্মা ও অর্পন সেনগুপ্ত। পারমিতা সেনগুপ্ত জানান, " আমাদের দাদু কবিরাজ অনন্ত কৃষ্ণ সেন শর্মার এই বইটিতে অজীর্ণ কেন হয় আহারে সংযম কেন করা উচিত আর কখন কখন খাওয়া উচিত অম্ল বা অজীর্ণের কোন সমস্যা হলে কি খাওয়া উচিত কি খাওয়া উচিত নয় বিভিন্ন ধরনের রোগের ও পথ্য সম্পর্কেও এখানে বলা রয়েছে।
আর আজকের দিনে মানুষের শরীর স্বাস্থ্যের অবনতি সার্বিকভাবেই ঘটছে এক্ষেত্রে অম্ল তথা অজীর্ণ শরীর ও স্বাস্থ্যের অবনতির একটি মূল কারণ । মানুষের সার্বিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে গেলে অম্ল আর অজীর্ণ শরীর থেকে বাদ দিতে হবে। সুতরাং সেক্ষেত্রে এই বইটিতে যে বিভিন্ন রোগের ঘরোয়া তথ্য এবং চিকিৎসার কথা বলা রয়েছে তা কিন্তু আমাদের কাছে সত্যিই অমূল্য। কারণ যিনি বইটি লিখেছেন তিনি এখন আমাদের ধরাছোঁয়ার মধ্যে নেই কিন্তু ওনার পরামর্শকে পাথেয় করে আমরা নিজেদের স্বাস্থ্য কে য সুস্থ রাখার চেষ্টা অবশ্যই করতে পারব একথা অনস্বীকার্য ।
আর বইটির গুরুত্ব আমাদের জীবনে কতখানি সেটা শুধু পড়ার পরেই মানুষ অনুভব করতে পারবে । এটা আমার কথা নয় বহু বিদগ্ধ সুধীজন এতে উপকৃত হবেন। সম্প্রতি এই বইটি উদ্বোধন হয়ে গেল কৃষ্ণপদ হলে। এই অনুষ্ঠানে হাওড়ার ডোমজুড়ের বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি এই বইটির দ্বারা ডোমজুড়ের বেশ কিছু মানুষ পূর্বে উপকৃত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।



