হাওড়া জেলার ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর এর অধীন জেলাসহ আর, আই দপ্তরে (ওয়াটার ও ক্যারিয়ার সুইপার) 'কর্মবন্ধুরা' অফিসে গ্রুপ ডি কর্মচারী না থাকায় অফিস খোলা , জল ঝাট দেওয়া,
কাগজপত্র গুছিয়ে রাখা ,নোটিশ বিলি করা, আর আই এর তদন্তকার্যে ও খাজনা আদায় সাহায্য করা, এক অফিস থেকে অন্য অফিসে চিঠি বয়ে নিয়ে যাওয়া এবং দুয়ারে সরকার এর মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো- গ্রুপ ডি কর্মচারীর মত দায়িত্ব নিয়ে কাজ করে।
উল্লেখ্য এই সমস্ত কাজ দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে করে আসছে । দুঃখের বিষয় বেতন মাত্র মাসিক ৩০০০ টাকা। আকাশছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধির ফলে বর্তমানে এদের সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন ব্লক ও মহাকুমা অফিসে এদের অসহায়তার কথা জানানো হয়েছে।
খুবই দুঃখের বিষয় পশ্চিমবঙ্গের বেশিরভাগ জেলার কর্মবন্ধুরা বকেয়া টাকা দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত পেলেও হাওড়া জেলার বকেয়া টাকা আদায়ের বিষয়টি এখনো অধরাই আছে ।
এমতাবস্তায় ৮ই জুন হাওড়া ডি এল আর ও অফিসে কর্মবন্ধুরা জড়ো হয়ে মহাকুমা আধিকারিক সৌমেন্দু বেরা মহাশয়ের নিকট বকেয়া টাকা পাওয়ার বিষয়ে দরবার করেন।
এই কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন হাওড়া জেলা "ওয়াটার ক্যারিয়ার এন্ড সুইপার ইউনিয়নের"(কর্মবন্ধু) সম্পাদক- নিখিল বেরা , পারুল দত্ত, লক্ষ্মী সিং, বৈশাখী মালিক, তনুশ্রী কোলে ও তাপসী সিংহ রায় । এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ওয়াটার ক্যারিয়ার সুইপার ইউনিয়নের রাজ্য সভাপতি, সমরেন্দ্র নাথ মাঝি । মহাকুমা আধিকারিক বিষয়টি নিয়ে হস্তক্ষেপ করার আশ্বাস দেন।
পরে একই দিনে এই প্রতিনিধি দল হাওড়া ডি এল আর ও মহাশয়া অনুপস্থিত থাকায় এই অফিসে ডি ডি ও'র কাছে বিষয়টি নিয়েও কথা বলেন



