রাজেন্দ্র নাথ দত্ত :মুর্শিদাবাদ:
মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মাতৃ মা বিভাগে নবগ্রামের এক প্রসূতির বাচ্চা বদলের অভিযোগ । প্রসূতির পরিবারের দাবি শিশু পুত্র হয়েছিল কিন্তু পরবর্তীতে শিশু কন্যা দেওয়া হয়। তারা লিখিত ভাবে অভিযোগ দায়ের করেছেন। শিশুর পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য ডিএনএ টেস্টের দাবি জানিয়েছে ঐ পরিবার। অভিযোগ পাওয়ার পর এই নিয়ে মেডিক্যাল কলেজ কতৃপক্ষ একটি তদন্ত টিম বসান এবং প্রসূতির বাড়ির দাবি মতো ডিএনএ পরীক্ষা করার প্রক্রিয়া করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই নিয়ে তোলপার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ।মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শিশু বদলের ঘটনায় শিশুর বাবা প্রতুল চন্দ্র ঘোষ বলেন কালকে(শুক্রবার) আমার স্ত্রীকে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছিলাম, ৮টা ২০তে সন্তান হয়। সন্তান হওয়ায় পর মার কাছে নার্সরা বাচ্চা নিয়ে যায় তখন আমার স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করে কি হয়েছে, আমার স্ত্রী বলে ছেলে হয়েছে। এরপর নার্স কোন উত্তর দেয়নি। বাচ্চাকে বুকে দেওয়ার কিছুক্ষন পর নিয়ে চলে যায়। কিছুক্ষন পর প্যাম্পাস পরিয়ে আমার স্ত্রীর কোলে দিয়ে দেয়। তখন আমার স্ত্রী আর কিছু দেখেনি, কিছুক্ষন পরে ওদেরই দুজন স্টাফ এসে জিজ্ঞেস করে ছেলে না মেয়ে আমার স্ত্রী বলে ছেলে তখন ওরা প্যাম্পাস খুলে দেখে মেয়ে। আমরা এই নিয়ে বহরমপুর থানা এবং এখানে এমএসভিপিকে অভিযোগ করেছি।শিশু বদলের অভিযোগ প্রসঙ্গে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত এমএসভিপি ডাঃ সুপ্রতীক চক্রবর্তী বলেন অভিযোগ আমরা পেয়েছি আমরা তদন্ত করেছি, আমরা দেরি করিনি। তদন্তের সব রিপোর্ট তো বলা এই মুহুর্তে সম্ভব নয় , তাতে কতগুলো সিদ্ধান্ত এসেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা চাইছি এর সঠিক যায়গায় আমরা পৌচ্ছায়। তাই তদন্ত রিপোর্টে কিছু সুপারিশ এসেছে তার মধ্যে একটি হল ডিএনএ টেস্ট। এটা তো একটা প্রশেসের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে সেটা আইনি প্রসেস। আমরা বাড়ির লোকদের সাথে বসে কথা বললাম তারাও সহযোগিতা করেছে এই ব্যাপারে। আমাদের ডিপাটমেন্টাল একটা তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে তদন্তও হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত সেই কমিটিরই। যারা অভিযোগ করেছে তাদের অভিযোগের গুরুত্ব দিয়ে একটা তদন্ত করা হয়েছে। গাফিলতি আছে কিনা গাফিলতি কোথায় হয়েছে এটার থেকেও বড় হচ্ছে ওনারা বলতে চাইছে সঠিক ভাবে জানান হোক আমরাও এটা জানতে চাই বাচ্চাটির জেনেটিক স্টাডি করে তার সেক্স নির্ধারক করা সেটা ডিএনএ করে করা। বাকি টা আমরা দেখব।