এই উদ্দেশ্যেকে সামনে রেখে উলুবেড়িয়ার আশা ভবন সেন্টারে ৭ই এপ্রিল ২০২২সালে আশা ভবন সেন্টারের ক্যাম্পাসে এই ইভেন্টটির আয়োজন করা হয়েছে,এই খানে প্রায় ২হাজার শিশুর যথাযথ পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়।
সারা ভারত জুড়ে ৭৫হাজার জনের ট্রেনিং করানো হয়েছে যারা প্রতিটি শিশুর স্মাইল(ডেন্টাল)ও হেলথ প্রোমোশন(রোগ প্রতিরোধ ও পুষ্টি) এই দুটি বিষয় দক্ষতার সঙ্গে বিচার করতে পারে,সাথে উপস্থিত ছিলেন উলুবেড়িয়া ১নং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুলতানা বেগম,উলুবেড়িয়া মহিলা থানার ওসি পিঙ্কি চক্রবর্তী,উলুবেড়িয়া পৌরসভার কাউন্সিলার রীনা দত্ত,বিশিষ্ট সাতারু তাহরিনা নাসরিন,স্পেশাল অলিম্পিক ভারত পশ্চিমবঙ্গ শাখার এরিয়া ডিরেক্টর অশোক চাকী,স্পেশাল অলিম্পিক ভারত পশ্চিমবঙ্গ শাখার সহসভাপতি ও আশা ভবন সেন্টারের ডিরেক্টর জন মেরি বারুই,বিশিষ্ট মনোরোগ বিশেষজ্ঞ কৃষ্ণা রায়,আশা ভবন সেন্টারের হোম সুপার অরুনিমা জাশু সহ অভিজ্ঞ ডাক্তার বাবু ও অন্যান্য বিভাগের অভিজ্ঞরা।
স্পেশাল অলিম্পিকের এই ধরনের ইভেন্টের মূল উদ্দেশ্য হলো সারা বিশ্ব জুড়ে করোনা ভাইরাস মহামারীতে প্রভাবিত হয়েছিলো এই সকল খেলোয়াড়দের এর ফলে তারা আরো বেশি সীমিত হয়েছে শেখার পরিধিতে,ভুলেছে পাড়ায় মাঠে খেলার অভ্যাস।এই জন্য এই ইভেন্টের মূল উদ্দেশ্য এই বেড়া ভেঙে তাদেরকে খেলার মাঠে ফেরানো।কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে তাদের যথাযথের চিকিৎসা।
এছাড়াও কোভিড পরবর্তীকালে লক্ষনীয় বিষয় এই যে অনেক খেলোয়াড়কে যোগাযোগ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে এই কথা ভেবে স্পেশাল অলিম্পিক সমস্ত অক্ষমতা সম্পন্ন খেলোয়াড়দের রেজিষ্ট্রেশন করা হয় যেখানে আধার কার্ড,ডিস্যাবিলিটি সার্টিফিকেট ও ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেট দ্বারা একটা করে ডিজিটাল আই ডি কার্ড করে দেওয়া হয়।স্পেশাল অলিম্পিকের এরিয়া ডিরেক্টর অশোক চাকী বলেন,'এই উদ্দেশ্যে হলো এই সারা ভারতের প্রত্যেক জেলার খেলোয়াড়রা নথিভুক্ত হয়,এই ইভেন্টটিতে পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রায় ৫হাজার খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করেছে।




