বিশেষ উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ভারতবর্ষে প্রথম এম জি এন আর ই জি এ অর্থাৎ একশো দিনের কাজের পরিকল্পনার মাধ্যমে এই থুনবার্গ ফরেস্টটি তৈরী হয়। বনাঞ্চলটি গড়ে উঠেছে এশিয়ার বৃহত্তম কো- অপারেটিভ, শিবগঞ্জ ভাগিরথী কো-অপারেটিভ জয়েন্ট ফার্মিং সোসাইটি লিমিটেড এর ডিঙ্গাখোলা সেক্টরে।মাত্র ৬০০ বর্গফুট জমিতে বসানো হয় ৩২০০টি বিভিন্ন দেশিয় ভেষজ চারাগাছ। পশ্চিমবঙ্গের ১৩টি জেলার বত্রিশ জন প্রতিনিধি হাতে কলমে প্রশিক্ষণ নেন এই বনাঞ্চল তৈরীর ব্যাপারে।
আজ নদীয়া জেলার ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সরেজমিনে চাক্ষুষ করলেন এই উল্লেখযোগ্য বনাঞ্চলটি। থুনবার্গ বনাঞ্চলটি ঘুরে দেখতে অতিথিদের সাহায্য করেন, হাওড়া জেলা পরিষদের শিক্ষা বিভাগের কর্মাধ্যক্ষ শ্রীধর মণ্ডল,
ডিঙ্গাখোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নীতা সিং,উপপ্রধান শান্তিরঞ্জন মাইতি, শ্যামপুর এক পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ মন্দীরা মণ্ডল প্রমুখেরা।



