অতসী দাস, শ্যামপুর:
শ্যামপুর দুই ব্লকের জয়কৃষ্ণপুর। এই গ্রামের বাসিন্দা কৃষ্ণেন্দু জানা পেশায় সিভিক ভলেন্টিয়ার। বছর তিনেক আগেই শ্যামপুর এক ব্লকের গোহালবেড়িয়ার পায়েল জ্যোতির সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। এক বছর তিন মাসের একটি কন্যা সন্তান আছে তাদের।
বিবাহের পর থেকেই পায়েল জানতে পারে স্বামীর পরকিয়ার কথা। এ ব্যাপারে বারবার প্রতিবাদ করেও কোন ফল না মেলায় শিশুকন্যা সন্তান কে ফেলে রেখে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হন ২১ বছর বয়সি পায়েল জানা । পায়েলের মা নন্দরাণী জ্যোতি বলেন, তাঁর মেয়ে বারবার জানান দিত কৃষ্ণেন্দুর পরকিয়ার ব্যাপারে।ছোট্ট নাতনির মুখচেয়ে মানিয়ে চলার কথা বলতাম।
দিন দিন অত্যাচারে সীমা বাড়তে থাকায় পায়েল আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হলো। তার শ্বশুর বাড়ির কেউ জানায়নি তার বিষ খাওয়ার কথা,তাদের এক প্রতিবেশী ফোন করে জানান দিলে উলুবেড়িয়া হাসপাতালে আমরা যখন পৌঁছই তখন সব শেষ। পরকিয়ার জের আর পারিবারিক অত্যাচার শেষ করে দিল পায়েলকে।
ময়নাতদন্তের পর দক্ষিণ বাউড়িয়ার সিদুরিয়া মহলে অন্তেষ্টিক্রয়ার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। কথা দেওয়া সত্বেও সেখানে শ্বশুর বাড়ির কেউ হাজির ছিলনা। পায়েলের মৃত্যুর জন্য যারা দায়ী তারা যেন কঠিনতর সাজা পায়।



