_____সুজিত নস্কর____
হাওড়া জেলার ডোমজুড় ব্লকের ওয়াদিপুর মহাকালতলা যুবক সংঘের আটদলীয় ফুটবল প্রতিযোগিতার ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হলো মহাকালতলা সংঘ ময়দানে।
ফাইনাল ম্যাচটিতে মুখোমুখি হয়েছিল রুদ্রপুর পল্লীসেবা সংঘ ও চামরাইল দাস মেডিকেল। খেলা উপলক্ষে সুন্দর মঞ্চে সুদৃশ্য ট্রফি ও নানান পুরস্কার রাখা ছিল। সেগুলো পাওয়ার জন্য ই সন্মুখ সমরে নেমেছিল দুই দল। দর্শকপূর্ণ মাঠে খেলা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই চামরাইল দলের চ্যানচো একটি সুন্দর গোল করে তাঁর দলকে এগিয়ে দেয়।
প্রথমার্ধের শেষে একগোলের ব্যবধান নিয়েই বিরতীতে যায় চামরাইল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধ তাদের জন্য সুখকর হয়নি। বিরতির পর মাঠে নেমেই রদ্রপুর পল্লীসেবা সংঘের আফ্রিকান খেলোয়াড় ক্যাশিয়ানো গোল শোধ করে দেন। উভয় দল ম্যাচ জেতার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। আক্রমন প্রতি আক্রমনে খেলা চলতে থাকে, এমতাবস্থাতেই পল্লীসেবা সংঘের রাজীব শেঠ আরো একটি গোল করে রুদ্রপুর কে ২-১গোলে এগিয়ে দেয়। দাস মেডিকেলের খেলোয়াড় রা গোল শোধ করার জন্য সুন্দর পাসিং ফুটবল খেলতে শুরু করে,যখন দর্শক সাধারণ ও চামরাইল দলের কর্মকর্তারা ভাবতে শুরু করেছে,দল সমতায় ফিরে আসবে, ঠিক তখনই চামরাইল গোলরক্ষক অত্যন্ত নির্বোধ ভাবে তাদের দলের খেলোয়াড় কে পাস বাড়াতে যায়।
যেটি জমা পড়ে ক্ষুরধার স্টাইকার ক্যাসিয়ানোর পায়ে, রদ্রপুরের ফরোয়ার্ড খেলোয়াড় ক্যাসিয়ানো বলটি ধরে দ্রুত গতিতে গোলের দিকে এগিয়ে যায়। চামরাইলের সব খেলোয়াড় গোল শোধ করার জন্য উপরে উঠে থাকায় বিনা বাধায় ক্যাসিয়ানো নিজের দ্বিতীয় গোল টি করেন এবং দলকে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
এরপর আর চামরাইলের দলটি মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি। খেলায় পরাজয় স্বীকার করে নেয়। ম্যাচ টির ম্যান অব দি ম্যাচ নির্বাচিত হন রুদ্রপুর পল্লীসেবা সংঘের ক্যাসিয়ানো।
ফাইনাল খেলায় অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জগৎবল্লভপুর বিধায়ক সীতানাথ ঘোষ,ডোমজুড় পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ সুবীর চ্যাটার্জি(টিঙ্কাই), ডাঃ মদন মোহন মাঝি, অশোক কুমার মন্ডল, শঙ্কর পাত্র, কুন্তল চ্যাটার্জি প্রমুখ।





