নিজস্ব প্রতিবেদক, উলুবেড়িয়া,
উপযুক্ত পরামর্শ দান করে আসছিল এবং অভিভাবক দের সাথে কথা বলে ঠিক হয় বিদ্যালয়ের সামস্ত ছাত্র-ছাত্রীদের ছোটো ছোটো ভাগে ভাগ করে কম কম ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে যদি সপ্তাহে কয়েকদিন করে ক্লাস করা যায় তাহলে খুব ভালো হয়।সেইমত পাড়ায় পাড়ায় খোঁজা শুরু হয় কয়েকটি সেন্টার যেখানে ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে পড়ানো হবে।
এবিষয়ে এগিয়ে আসেন এলাকার বিশিষ্ট ব্যাক্তি হবিবর রহমান থানদার মহাশয় তাঁর বৈঠক খানা পড়াশোনার জন্য দেন,সাজিত থান্দার মহাশয় তাঁর তৈরি হওয়া নতুন বাড়ি টি দেন,সুপিয়ান থান্দার দেন তাঁর পড়ে থাকা গৃহ বাড়ী ও বাড় মঙরাজপুর গ্রামবাসী দেন তাঁদের হারিসভা মঞ্চ।
আজ সকালে প্রধান শিক্ষক রাজদূত সামন্ত নিজে ৪টি সেন্টার নিজেই সানিটাইজ করেন।তারপর সকাল সাড়ে দশ টায় ৪টি সেন্টারে পড়ুয়ারা আসলে তাদের হাতে সানিটাইজ করে ও মুখে মাস্ক দিয়ে সেন্টারে প্রবেশ করানো হয়।
বিদ্যালয় শুরু হয় জাতীয় সংগীত দিয়ে এবং স্বাস্থ্য বিধান গান ও হাতধোয়ার গান দিয়ে ক্লাস শুরু হয়।বিদ্যালয়ে পরান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাজদূত সামন্ত ,সহ শিক্ষক দৈপায়ান দুয়ারী শৌভিক ঘোষ ,চামেলি দে ,কৃষ্ণা পাত্র ও যোগমায়া মন্ডল।পড়ুয়ারা খুব আনন্দের সাথে বিদ্যালয়ে আসে ও উৎসাহের সাথে পড়াশোনা করে।বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও হাটগাছা ১নং অঞ্চলের প্রধান আসমা বেগম মহাসায়া উৎসাহ দেন ও সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
উলুবেড়িয়া ১নং পঞ্চায়েত সমিতির শিক্ষার করমাধ্যক্ষ শুভ্রা দাস মহাসয়া উপযুক্ত পরামর্শ দেন।এলাকার বিশিষ্ট ব্যাক্তি দেলোয়ার থান্ডার ও সমীর সেন মহাশয় কর্মকাণ্ড টি শুরু করার জন্য যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন।বিদ্যালয়ের অভিভাবক কামরুল থান্ডার ,সুফল অধিকারী বলেন আমাদের ছেলে মেয়েরা আবার বিদ্যালয় মুখী হওয়ায় আমরা খুব খুশি,তাই বিদ্যালয়ের শিক্ষক -শিক্ষিকা দের এই উদ্যোগ কে আমরা সাধুবাদ জানাই।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাজদূত সামন্ত বলেন "আমরা সমস্ত গ্রামবাসী শিক্ষা অনুরাগী ব্যাক্তি বর্গের সহযোগিতায় যেন এই কর্মকাণ্ড টিকে সার্থক রূপায়ণ করতে পারি তার জন্য সকল গ্রামবাসী ও শিক্ষা অনুরাগী ব্যাক্তির সাহায্য ও সহযোগিতা প্রার্থনা করছি"।প্রধান শিক্ষক মহাশয় আরো বলেন "শিশুদের পেয়ে আমাদের মন আজ ভোরে গেলো"।




