
নিজস্ব প্রতিবেদক,
শীতের সময় অকাল বৃষ্টি, আর এই অকাল বৃষ্টিতে মাথায় হাত হাওড়ার টমেটো গ্রামের চাষীদের।
হাওড়ার বাগনানে টমেটো গ্রামে বলা হয় গোপালপুর গ্রামকে।
হাওড়ায় যত টমেটো উৎপাদন হয় তার বেশিরভাগই হয় এই গ্রামে। এই গ্রামের সবচেয়ে বড় টমেটো চাষির নাম সোমনাথ বেজ।
আছে টমেটো চাষী মুকুন্দ মন্ডল, শিশির মন্ডল ও অশোক মন্ডল। প্রত্যেকেই এই গ্রামে এই সময় টমেটো বীজ রোপণ করেছিলেন। কিন্তু তাঁরা জানান, এই অকাল বৃষ্টির জন্য সব বীজ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। কিছু টমেটোর চারাও বেড়িয়েছিল। সব নষ্ট হয়ে গিয়েছে এই অকাল বৃষ্টিতে।
তাঁরা জানান, এর ফলে বিপুল টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তাঁদের। তাঁরা জানান, এখানকার টমেটো চাষীদের মধ্যে বেশিরভাগ ভাগ চাষী। তাই এই বিপর্যয়ে কিভাবে তাঁরা সামাল দেবেন তা নিয়ে এখন তাঁরা দুশ্চিন্তা মধ্যে আছেন। শুধু টমেটো চাষে ক্ষতি নয় নষ্ট হয়েছে চেরি ও গাঁদা গাছ।
পানের বোরজে এই অকাল বর্ষণে পানের পাতা খসে গিয়েছে।
মোটকথা এই অকাল বর্ষণের ফলে চাষীরা এখন বিপন্ন। বুধবার হাওড়ার বাগনানের বিধায়ক তথা হাওড়া গ্রামীণ তৃণমূলে সভাপতি অরুনাভ সেনের নির্দেশে বাগনান ২ নং পঞ্চায়েত উপ প্রধান কাজল ভৌমিক কে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়েছিলেন গোপালপুর গ্রামে বাগনান কেন্দ্র কিষান ক্ষেত মজদুর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি চন্দ্রনাথ বসু। তিনি জানান, প্রায় দুই শত বিঘা জমিতে টমেটো চাষী বিপন্ন।
চেরি ও চিনে গাঁদা নষ্ট হয়েছে। তিনি এদিন চাষীদের আশ্বস্ত করেন। সরকার তাঁদের পাশে আছে বলে তিনি তাঁদের জানান।


চন্দ্রনাথবাবু জানান, এখানকার চাষীরা বেশিরভাগই ভাগ চাষী। অনেকেই ব্যঙ্ক অফ বরোদা থেকে লোন নিয়ে চাষ করেছেন । তাঁরা এখন এই অকাল প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জন্য ক্ষতির সম্মুখীন।
আমরা চাষীদের যাতে ঋণ মুকুব হয় ও তাঁরা ক্ষতিপূরণ পায় তার জন্য ব্যাঙ্কের কাছে ডেপুটেশন দেব এবং বাগনান এক নম্বর ব্লকের কৃষি আধিকারিক সঙ্গীতা জানার কাছে পুরো বিষয়টির রিপোর্টিং করবে যাতে ক্ষতিগ্রস্ত চাষীদের পাশে থাকা যায় বলে তিনি জানান।
