,
করোনা পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ লকডাউনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি বন্ধ থাকায় অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলোতে রান্না করা খাবার দেওয়া বন্ধ ছিল ।
স্বভাবতই আর্থিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়া পরিবারের মা ও শিশুদের অপুষ্টি বাড়ছে যা ইতিপূর্বে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। গত প্রায় দু'বছর যাবৎ সারা দেশের মতোই আমাদের রাজ্যে ৬০ হাজার অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের প্রায় ৪০ লক্ষ উপভোক্তার পরিপূরক পুষ্টি জন্য রান্না করা গরম খাবার পরিবেশন বন্ধ হয়ে আছে। রান্না করা খাবারের পরিবর্তে টি এইচ আর (টেক হোম রেশন) দেওয়া হলেও তা রান্না করা খাওয়ার এর পরিপূরক নয় । এইভাবে চলতে থাকলে অপুষ্টিজনিত কারণে বিরাট বিপর্যয় নেমে আসবে ।
তাই আর বিলম্ব না করে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সাথেই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলি চালু করে রান্না করা খাবার পরিবেশন করার প্রক্রিয়া চালু করার দাবিতে ১৯ থেকে ২৪শে ডিসেম্বর- ২০২১ জেলায় জেলায় বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে ডেপুটেশনের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচিকে সফল করতে ৯ই ডিসেম্বর কাশমলি ও ঘোড়াবেড়িয়া- চিৎনান অঞ্চলের অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের নিয়ে পারবাক্সিতে একটি সভা হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন হাওড়া জেলা অঙ্গনওয়াড়ি ওয়ার্কার্স এন্ড হেল্পার্স ইউনিয়নের সংগঠক সরস্বতী ভৌমিক ও চন্দনা সামন্ত।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক সংগঠন এ আই টি ইউ সি হাওড়া জেলা সংগঠক নিখিল বেরা। এই সভা থেকে শ্যামলী ঘোড়াকে সভানেত্রী, অর্চনা বাগকে সম্পাদিকা ও সুতপা মন্ডলকে কোষাধ্যক্ষ করে আমতা ব্লকের একটি কমিটি গঠিত হয়। আগামী ২১শে ডিসেম্বর বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরের অবিলম্বে অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারগুলি চালু করে পুষ্টিকর খাবার পরিবেশনের দাবিতে ডেপুটেশনের সিদ্ধান্ত হয়।



