তার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে মানুষের অভাব। বাদ নেই আমাদের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গও। তবে রাজ্য সরকার এই সমস্যা দূর করতে নানা ইতিবাচক পদক্ষেপ নিচ্ছে।
নিচ্ছে নানা জনদরদী প্রকল্প। তার ফলে আবার ছন্দে ফিরছে পশ্চিম বাংলার জনজীবন।
আর এই পুরো বিষয়টির একটা বড় উদাহরণ দিল রবিবার হাওড়ার গড়চুমুকের আটান্ন গেট পর্যটক কেন্দ্র।
এখানে রবিবার বিকেলে উদ্বোধন হলো কর্মতীর্থ।
রাজ্যের পঞ্চায়েত গ্ৰামোন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের মন্ত্রী পুলক রায় উদ্বোধন করলেন এই কর্মতীর্থ।
জানা গিয়েছে মোট সাঁইত্রিশটি স্টলের মধ্যে ৩৫টি স্টলের উদ্বোধন হলো।বাকি দুটি স্টল সরকারি ভাবে বিলি হয়নি।
মূলত শীতের মরসুমে হাওড়া জেলার আটান্ন গেটের গড়চুমুকে প্রচুর পর্যটক আসেন। এখানে রয়েছে মিনি চিড়িয়াখানা,
এই স্টলের উদ্বোধন হওয়ার ফলে একদিকে যেমন বেকারদের কর্মসংস্থান হবে অপরদিকে পর্যটকদেরও সুবিধা হবে।
মোটকথা রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগ ও সহযোগিতাকে সকলে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
মন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শ্যামপুর ১নং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সেখ নাসরিন, শ্যামপুর ২নং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি জুলফিকার আলী মোল্লা, উলুবেড়িয়া ১নং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুলতানা বেগম, শ্যামপুর ১নং ব্লকের বিডিও তন্ময় কার্যী
যুগ্ম বিডিও তাপহ বিশ্বাস,হাওড়া জেলা পরিষদের সদস্য অজয় মন্ডল,জেলা পরিষদের সদস্য রুমা মান্না,নবগ্ৰাম পঞ্চায়েত প্রধান প্রশান্ত কুমার দাস,উপপ্রধান লুতফর রহমান খান, ধান্দালী পঞ্চায়েত প্রধান লেখা প্রামানিক, বেলাড়ী পঞ্চায়েত প্রধান শিখা প্রামানিক,বালিচাতুরী পঞ্চায়েত প্রধান শ্যামল পুরকাইত, গড়চুমুক পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক অমিতাভ সর্দার,নদেবাসী জানা,দেবাশীষ ব্যানার্জী,জয়ন্ত কুমার মন্ডল, ডা, সদানন্দ রায়চৌধুরী,কৃষ্ণেন্দু পুরকাইত,মন্দিরা দোলুই,সঙ্গীত পরিবেশন করেন সেখ আলোম দেইয়ান,






