সাকিব হাসান,দঃ ২৪ পরগনা,
অবশেষে দক্ষিণ 25পরগনার সুন্দরবন কুলতলির পিয়ালি নদীর ধারে ডোঙ্গাজোড়া গ্রাম। সেখানে পুরনো কেল্লার আশেপাশে শোনা যাচ্ছে বাঘের গর্জন। এলাকায় পায়ের ছাপও মিলেছে বলে দাবি বন দফতরের। শীতের মরশুমে কেল্লায় আসেন বহু পর্যটক। নিরাপত্তার কারণে তাঁদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বাঘ ধরতে জাল দিয়ে নদী ঘেরার কাজ শুরু হয়েছে জোরকদমে। গতকাল কুলতলির ৫ নম্বর গরানকাঠি এলাকায় কাঁকড়া ধরতে যাওয়া এক মহিলা বাঘ দেখতে পান বলে দাবি করেন। খবর পেয়ে সেখানে যান বন দফতরের কর্মীরা। বাঘ বন্দি করতে খাঁচা পাতা হয়। বসে রাত পাহারা। তবে এখনও পর্যন্ত ধরা দেয়নি রয়্যাল বেঙ্গল। গরানকাঠির জঙ্গল থেকে বেরিয়ে পিয়ালি নদী পেরিয়ে বাঘটি কাছের ডোঙ্গাজোড়া গ্রামে ঢুকে পড়েছে বলে জানিয়েছেন বন দফতরের কর্মীরা। এলাকায় বিশাল বাহিনী নিয়ে আছেন দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার ডিভিশানাল ফরেস্ট অফিসার শ্রী মিলন কান্তি মন্ডল মহাশয়, এ ডি এফ ও শ্রী অনুরাগ চৌধুরী, আছেন বন দপ্তরের অন্যান্য আধিকারিক এবং কর্মীরা। তারা পুরো এলাকা জাল দিয়ে ঘিরে রেখেছে এবং দুটি খাঁচা পাতা হয়েছে তার মধ্যে ছাগল রাখা হয়েছে। প্রশাসনের তরফে এলাকায় মাইকিং করে এলাকাবাসীদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। বন দপ্তরের কর্মীরা দক্ষতা এবং তৎপরতার সাথে কাজ করে চলেছেন, আশা করা যায় শীঘ্রই বাঘ বন্দী হবে।
তবে এলাকার মানুষের দাবি যে সুন্দরবনের এই অঞ্চলে যে বাঘ আসতে পারে এটা তারা ভাবতেই পারছেন না। বিগত ত্রিশ পঁয়ত্রিশ বছরের মধ্যে এই অঞ্চলে বাঘ আসেনি। এই ঘটনায় এলাকাবাসীদের আতঙ্ক গ্রাস করেছে। যদিও বন দপ্তরের তরফে তাদের আশ্বস্ত করা হচ্ছে। অবশেষে আজ সকালে খাঁচায় বন্দী করা হলো মহারাজ কে।

