দীর্ঘ করোণা পরিস্থিতিতে সারা দেশের সাথে এ রাজ্যের প্রায় ৬০ হাজার আশাকর্মী তাদের জীবন বাজি রেখে কোভিড মোকাবেলা, পোলিও প্রতিরোধ, কোভিড ভ্যাকসিন প্রদান, শিশু ও মাতৃ মৃত্যু ঠেকাতে ঝড়-জল-বৃষ্টি উপেক্ষা করে নিরবিচ্ছিন্নভাবে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করে চলেছে। বন্যা পরিস্থিতিতে কোথাও এক কোমর, কোথাও এক গলা জল ঠেলে পরিষেবা প্রদানের যে নজির সৃষ্টি করে চলেছে- তা এক কথায় অভূতপূর্ব ।
অথচ সেই ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কারদের অতি সামান্য প্রাপ্যটুকু (উৎসাহ ভাতা) কয়েক মাস বাকি। এছাড়া সরকারি ঘোষণা সত্ত্বেও কোভিড আক্রান্তরা (আশা ও তার পরিবার) আবেদন করা সত্ত্বেও কোনো অর্থ জোটে নি। কোভিড ভ্যাকসিন দেওয়ার কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করিয়ে, সরকারি আদেশনামা থাকা সত্ত্বেও আশাকর্মীরা পারিশ্রমিক থেকে আজও বঞ্চিত ।
স্বাস্থ্য দপ্তরের সর্বস্তরে বারবার সমস্যাগুলি জানানো সত্ত্বেও আজও কোন সমাধান হয়নি। এমতাবস্থায় আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলন সংগঠিত করার লক্ষ্যে- পাঁচলা ব্লকের আশাকর্মীরা রানিহাটীতে ২৭ই নভেম্বর ঐ ব্লকের দ্বিতীয় সম্মেলন সংঘটিত করে। এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এ আই ইউ টি ইউ সি শ্রমিক সংগঠনের হাওড়া জেলা সংগঠক নিখিল বেরা।
এই সম্মেলন থেকে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা কর্মীরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন। এই সম্মেলন থেকে সুপর্ণা কোলেকে সভানেত্রী, সুমনা রায়কে সম্পাদিকা ও সরস্বতী মন্ডলকে কোষাধক্ষ্য করে একটি শক্তিশালী ব্লক কমিটি গঠিত হয়।



