দীর্ঘ করোণা পরিস্থিতিতে সারা দেশের সাথে এ রাজ্যের প্রায় ৬০ হাজার আশাকর্মী তাদের জীবন বাজি রেখে কোভিড মোকাবেলা, পোলিও প্রতিরোধ, কোভিড ভ্যাকসিন প্রদান, শিশু ও মাতৃ মৃত্যু ঠেকাতে ঝড়-জল-বৃষ্টি উপেক্ষা করে নিরবিচ্ছিন্নভাবে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করে চলেছে।
বন্যা পরিস্থিতিতে কোথাও এক কোমর, কোথাও এক গলা জল ঠেলে পরিষেবা প্রদানের যে নজির সৃষ্টি করে চলেছে- তা এক কথায় অভূতপূর্ব । অথচ সেই ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কারদের অতি সামান্য প্রাপ্যটুকু (উৎসাহ ভাতা) কয়েক মাস বাকি।
এছাড়া সরকারি ঘোষণা সত্ত্বেও কোভিড আক্রান্তরা (আশা ও তার পরিবার) আবেদন করা সত্ত্বেও কোনো অর্থ জোটে নি। কোভিড ভ্যাকসিন দেওয়ার কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করিয়ে, সরকারি আদেশনামা থাকা সত্ত্বেও আশাকর্মীরা পারিশ্রমিক থেকে আজও বঞ্চিত । স্বাস্থ্য দপ্তরের সর্বস্তরে বারবার সমস্যাগুলি জানানো সত্ত্বেও আজও কোন সমাধান হয়নি। এমতাবস্থায় আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলন সংগঠিত করার লক্ষ্যে- আমতা২ ব্লকের নারিট ও গাজীপুর অঞ্চলের আশাকর্মীরা ১৮ই নভেম্বর একটি সভা সংঘটিত করে। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন এ আই ইউ টি ইউ সি শ্রমিক সংগঠনের হাওড়া জেলা সংগঠক নিখিল বেরা ও পশ্চিমবঙ্গ আশাকর্মী ইউনিয়নের হাওড়া গ্রামীণ জেলা সংগঠক সঞ্জীব সাতরা।
এই সভা থেকে ২৩শে নভেম্বর পর্যন্ত কোন ফরমেট জমা না দেওয়ার এবং বি এম ও এইচকে ডেপুটেশনের সিদ্ধান্ত হয়। সমস্যার সমাধান না হলে প্রয়োজনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা কর্মীরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন।



