বৃহস্পতিবার দুপুরে মৃত্যুর যথাযথ কারণ অনুসন্ধান করতে মালদায় এসে জেলা মুখ্যস্বাস্হ্য আধিকারিককে ডেপুটেশন দেন সদস্যরা। এছাড়াও মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা।
পাশাপাশি আড়াইডাঙ্গা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বঙ্কিমের প্রথম চিকিৎসা হয়। সেখানেও সদস্যরা গিয়ে ঘুরে দেখে আসেন।
প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কৌশিক দে, সন্তু দে, ও জয়ন্ত চক্রবর্তী। তাঁরা জানান, ‘খুব মর্মান্তিক ঘটনা। আমাদের আবেদন যারা সাপ উদ্ধার করেন, তাঁরা যেন সঠিক পদ্ধতি মেনে সাপ উদ্ধার করেন। প্রশিক্ষণ নিয়ে তাঁদের সাপ ধরার কাজে নামা উচিৎ।’


