দীর্ঘ করোণা পরিস্থিতিতে সারা দেশের সাথে এ রাজ্যের প্রায় ৬০ হাজার আশাকর্মী তাদের জীবন বাজি রেখে কোভিড মোকাবেলা, পোলিও প্রতিরোধ, কোভিড ভ্যাকসিন প্রদান, শিশু ও মাতৃ মৃত্যু ঠেকাতে ঝড়-জল-বৃষ্টি উপেক্ষা করে নিরবিচ্ছিন্নভাবে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করে চলেছে।
বন্যা পরিস্থিতিতে কোথাও এক কোমর, কোথাও এক গলা জল ঠেলে পরিষেবা প্রদানের যে নজির সৃষ্টি করে চলেছে- তা এক কথায় অভূতপূর্ব । অথচ সেই ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কারদের অতি সামান্য প্রাপ্যটুকু (উৎসাহ ভাতা) কয়েক মাস বাকি। এছাড়া সরকারি ঘোষণা সত্ত্বেও কোভিড আক্রান্তরা (আশা ও তার পরিবার) আবেদন করা সত্ত্বেও কোনো অর্থ জোটে নি। কোভিড ভ্যাকসিন দেওয়ার কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করিয়ে, সরকারি আদেশনামা থাকা সত্ত্বেও আশাকর্মীরা পারিশ্রমিক থেকে আজও বঞ্চিত ।
স্বাস্থ্য দপ্তরের সর্বস্তরে বারবার সমস্যাগুলি জানানো সত্ত্বেও আজও কোন সমাধান হয়নি। এমতাবস্থায় নিম্নলিখিত দাবিগুলি অতি দ্রুত পূরণের জন্য ২৯শে অক্টোবর বীরভূম জেলায় সিউড়ি ও রামপুরহাটে পশ্চিমবঙ্গ আশাকর্মী ইউনিয়নের উদ্যোগে- CMOH Office অভিযান হয়। বিভিন্ন ব্লক থেকে আশাকর্মীরা সকাল ১১টায় সিউড়ি জেলা স্কুল মাঠ ও রামপুরহাট পাঁচ মাথা মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে উক্ত দপ্তর দুটিতে পুলিশের বেষ্টন ভেঙে প্রবেশ করে। জেলা ও রাজ্য নেত্রী সহ আশাকর্মী প্রতিনিধি দল স্মারকলিপি পেশ করেন। স্বাস্থ্য আধিকারিক স্মারকলিপির দাবিগুলি অবিলম্বে মেটানোর আশ্বাস দেন।
অন্যতম দাবি:-
১) অবিলম্বে বিভিন্ন ব্লকের চার থেকে সাত মাসের বকেয়া উৎসাহ ভাতা দিতে হবে।
২) কোভিড আক্রান্ত আশাকর্মীদের বীমার টাকা অবিলম্বে দিতে হবে ।
৩) কোভিড ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজে নিযুক্ত থাকার জন্য প্রাপ্য অর্থ অবিলম্বে দিতে হবে।
৪) বুধবার সরকারি ছুটির দিন থাকলেও আশাকর্মীদের টাকা দিতে হবে।



