রেশন গ্রহিতা লিপিকা বেতাল এই পরিষেবা পেয়ে দারুণ খুশি ।
তিনি জানান রেশন পেতে আগে অনেক দূরে যেতে হোত ,এখন বাড়িতেই রেশন আসছে।
এলাকার রেশন ডিলার সেখ মহম্মদ আব্দুল রসিদ বলেন এই উদ্যোগে রেশন গ্রহিতাদের সুবিধা হবে। কিন্তু গ্রামীণ রাস্তাঘাট ভীষণ খারাপ , রেশন পৌঁছানোর গাড়ি চাই,যোগ্য ড্রাইভার প্রয়োজন, বাড়ি বাড়ি রেশন পৌঁছতে মাসে প্রায় পঞ্চাশ হাজার টাকা প্রয়োজন হবে।


সরকার এই ব্যাপারে নজর দিলে আমরাও স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে কাজটা করতে পারি।
দুয়ারে রেশন প্রকল্পকে স্বাগত জানিয়েছেন এলাকার মানুষ জন।
এছাড়াও শ্যামপুরের নারিকেলবাড় এলাকায় দুয়ারে রেশন পাইলট প্রজেক্টের তদারকিতে যান সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক।

