জগাছার আনন্দ আপন ও সাংসদ প্রসূন ব্যানার্জির বাড়ির গণেশ পুজো

জগাছার আনন্দ আপন ও সাংসদ প্রসূন ব্যানার্জির বাড়ির গণেশ পুজো ।  


শরতের শারদীয়ার আগে এ এক অন্য উৎসব !  নদীর পাড়ের কাশফুলের এ এক অন্য পুজো !  যে শরৎ আজ  বিধি নিষেধের, তার আগে এ এক অন্য আনন্দ ! আলোর রোশনাইয়ে  এ এক ভিন্ন স্বাদের গল্প, ভিন্ন অনুভূতি   !  

সব বাধাকে ছাপিয়ে সেখানে  কচিকাঁচা  বাচ্ছারা টোটো করে আনতে যাচ্ছে ঠাকুর । সঙ্গে আছে বগা, রবি, ডিস্কো, কালিয়া , রুপা ও বুড়ো, ভাস্কর, রুপো   । তাদের সঙ্গে তাল মিলিয়েছে কমল , শম্পা, রবির  ছেলেরাও।  সঙ্গে আছে আরো কতজন । আসছে গণেশ ঠাকুর ।


 ঘরের বৌরা বাজাচ্ছে শঙ্খধ্বনি, দিচ্ছে উলু। এ চিত্র মহারাষ্ট্রের নয়।  এটা হাওড়ার জগাছার ধাড়সা  গভর্নমেন্ট কলোনির আনন্দ আপনের গনেশ পুজোর প্রেক্ষাপট। মহারাষ্ট্রের মুম্বইয়ের গণেশ পুজোর একমুঠো স্মৃতি এখানে এলেই মানুষ দেখতে পাবেন।

 আজ শুক্রবার এখানে সম্পন্ন হল গণেশ পুজো। দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জায় সজ্জিত এই পুজোয়  প্রচুর দর্শনার্থীরা এসেছেন। 

সংগঠনের সক্রিয় সদস্য বরুন সাহা জানান, কোভিড বিধি মেনে তাঁরা এই প্রথম বছর গনেশ আরাধনার আয়োজন করেছেন। সংগঠনের অপর সদস্য কালিয়া, ডিস্কো ও রবি জানান, করোনা পরিস্থিতির জন্য সকলের আর্থিক অবস্থা খারাপ। 

তাই আমাদের সিদ্ধিদাতা গনেশ ঠাকুরের কাছে প্রার্থনা সকলে যেন এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠে আর্থিক পরিস্থিতি উন্নত করতে পারে  ও পৃথিবী যেন আবার আগের মত সুন্দর ও করোনামুক্ত হয়। সেই জন্যই আমরা গণেশের আরাধনায় সামিল হয়েছি বলে তাঁরা জানান।    
 প্রসঙ্গত  গণেশ পুজো মহারাষ্ট্রের মতন এখন সম প্রচলিত বাংলায়। হাওড়া শহরে বিভিন্ন জাতি ও ধর্মের মানুষের বাস। তাই বিগত কয়েক বছর ধরে হাওড়া শহরে বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক গণেশ পুজোর আয়োজন করে থাকছেন শহরবাসী । 


তবে মহারাষ্ট্রের মতন ১০ দিনব্যাপী এখানে পূজো না হলেও, চতুর্থী তিথিতে বাংলায় যথেষ্ট জাঁকজমক তবে মহারাষ্ট্রের মতন ১০ দিনব্যাপী এখানে পূজো না হলেও, চতুর্থী তিথিতে বাংলায় যথেষ্ট জাঁকজমকের সাথে আরাধনা করা হয় বিঘ্ননাশকের। 

অপরদিকে   বিগত ৩ বছর ধরে হাওড়া কাসুন্দিয়া অঞ্চলে সাংসদ প্রসূন ব্যানার্জির বাড়িতেও আয়োজিত হয়ে আসছে গণেশ পূজা। নিস্ঠার সাথে পূজা অর্চনা হয় সেখানে। বাড়ির অভ্যন্তরেই মন্ডপ সাজিয়ে তোলা হয়েছে রঙিন কাপড়, ফুল দিয়ে।


 সাজিয়ে তোলা হয়েছে নানান রংয়ের আলোকসজ্জায়।  তবে করণা পরিস্থিতিতে পূজার অনুস্ঠানকে প্রধান্য দেওয়া হয়েছে। কেবলমাত্র নিকট পরিজনরাই উপস্থিত থাকছেন। 


  প্রসূন ব্যানার্জি পুষ্পাঞ্জলি দেন এদিন সকালে। নিয়ম মেনে  সন্ধ্যায় হয়  সন্ধ্যা আরতি ।   শনিবার  গঙ্গায় বিসর্জন দেওয়া হবে গনেশের মূর্তি।  মোটকথা মুমই এর বড় গণেশ পুজোর স্বাদ এখন হাওড়ায় ঘরে বসে পাচ্ছেন জেলাবাসী। যার স্বাদ অসীম, অতুলনীয় । 

AB Banga News-এ খবর বা বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য যোগাযোগ করুনঃ 9831738670 / 7003693038, অথবা E-mail করুনঃ banganews41@gmail.com
⏳ নিউজ লোড হচ্ছে...