এই চিনা মাঞ্জার জালে জড়িয়ে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
গ্রিন ট্রাইব্যুনাল সিন্থেটিক মাঞ্জায় নিষেধাজ্ঞা জারি করে ২০১৬ সালে ডিসেম্বর মাসে।
আদালতের নিয়ম নির্দেশের তোয়াক্কা না করেই সমানতালে এই ব্যবসা চলছে জোর কদমে।
এমনকি এই অসাধু কারবারে ছেদও পড়েনি।
পথেঘাটে সর্বত্রই চলছে সিন্থেটিক মাঞ্জার জাল।
ঘটতে চলেছে যখন তখন বিপদ।
তবুও গ্ৰামে গঞ্জের এমনকি শহরের প্রায় সর্বত্র বাজার ছেয়ে গেছে সিন্থেটিক মাঞ্জা বা চিনা মাঞ্জায়।
গ্ৰীন বেঞ্চের নির্দেশে বলা হয়েছিলো এই ধরনের মাঞ্জা সুতো তৈরি, মজুত ও কেনবেচা পুরোপুরি য়বন্ধ করতে হবে।
শুধু পুরোপুরি বন্ধ নয় এই নির্দেশিকা অমান্য করলে ১৯৮৬ সালের পরিবেশ রক্ষা আইন ও ১৯৭২ সালের বন্যপ্রাণী সুরক্ষা আইনের আওতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে প্রশাসন।
চিনা মাঞ্জা খুবই বিপজ্জনক কারণ,
নাইলন সুতোর চিনা মাঞ্জায় থাকে লোহার গুঁড়ো, রাসায়নিক, সলিউশন গাম।
সুতির মাঞ্জায় আঠা, সাবু, শিরিষ গাব বা ইসবগুলের সঙ্গে থাকে কাঁচগুঁড়ো।
শুধু মানুষের জন্য বিপজ্জনক নয়।
মাঞ্জা সুতোর জালে জড়িয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অসংখ্য পাখির মৃত্যু হয়েছে।
তার জেরে কড়া নির্দেশ গ্রিন ট্রাইব্যুনালের।
পরিবেশ দপ্তর পশ্চিম বঙ্গ সরকার এই মাঞ্জা সুতোয় ঘুড়ি ওড়ানো নিষিদ্ধ করে বিজ্ঞপ্তি জারি করে 2020 সালে।
শহরে এধরনের ঘটনা নতুন নয়। চাইনিজ মাঞ্জার সুতোর শিকার হয়েছেন অনেকেই।
এই মর্মেই হাওড়া জেলা যৌথ পরিবেশ মঞ্চের পক্ষ থেকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে হাওড়া জেলা পুলিশ কমিশনার, হাওড়া বন বিভাগ ও জেলা শাসকের কাছে যাতে এই চাইনিজ মাঞ্জা সুতো সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয় এই জেলাতে।



