অলোক আচার্য ,
,নববারাকপুর,
বাবা নেই। আছে একমাত্র মা।মাত্র চার বছর বয়সে বাবার (অলোক মহুরীর) মৃত্যু হয়। মা জ্যোৎস্না মহুরীর কাছে বড় হয়ে ওঠা।বেলঘড়িয়া ভৈরব গাঙ্গুলী কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ। বাড়িতেই মায়ের স্টেশনারি দোকান রয়েছে। একমাত্র ছেলে অঙ্কন রবিবার আজ তার ৩১ তম জন্মদিন। প্রতি বছর অনাড়ম্বর ভাবে বন্ধু দের সাথে কেক কেটে প্রীতি ভোজ করে দিনটি পালন করলেও এবছর কোভিড পরিস্থিতিতে দিনটি অন্যভাবে পালন করল। রবিবার সকালে দক্ষিণেশ্বরে মায়ের মন্দিরে পুজো দিয়ে রবিবার দুপুরে স্হানীয় বিশ্ব সেবাশ্রম সঙ্ঘের মন্দিরের অসহায় শিশু কিশোর দের পাশে দাঁড়িয়ে সাধ্যমতো শুকনো খাবার(কেক, বিস্কুট, চিপস, ফুটির জুস) ও পড়াশোনা শিক্ষণ সামগ্রী প্রীতি উপহার স্বরূপ তুলে দিলেন অঙ্কন দে মহুরী।
ছোট শিশু কিশোর দের মুখে সামান্য হলেও হাঁসি ফোটাতে পেরে গর্বিত ও আনন্দিত নববারাকপুর পুরসভার ১২ নং ওয়ার্ডের বঙ্কিম চ্যাটার্জি রোডে বাসিন্দা অঙ্কন দে মহুরী ও তার দিদি নীতা দে। যদিও নীতা দের গত শনিবার ছিল জন্মদিন। নববারাকপুর কোঅপারেটিভ হোমস লিমিটেডের এক কর্মী অঙ্কন জানান এবছর তার ৩১ তম জন্মদিন একটু ভিন্ন ভাবে অসহায় ছোট ছেলে মেয়েদের সাথে কাটালাম। সকালে দক্ষিণেশ্বরে মায়ের মন্দিরে পুজো দিয়ে দুপুরে ৫০ জন অসহায় বাচ্চাদের শুকনো খাবার ও পড়াশোনার সামগ্রী তাদের হাতে তুলে দিয়ে একটা পরম তৃপ্তি অনুভব হল। ভীষন খুশি হলাম।
পাশে পেলাম আমার দিদি নীতা দে কে। যদিও তার গত শনিবার ছিল জন্মদিন। কোভিড বিধি মেনে এই সামান্য আয়োজন নববারাকপুর বিশ্ব সেবাশ্রম সঙ্ঘের প্রাঙ্গণে ।বিশ্ব সেবাশ্রম সঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা ঠাকুর শ্রী শ্রী সমীরেশ্বর ব্রহ্মচারী এই মানবিক উদ্যোগ ভীষণ খুশি। তাদের দারিদ্রের মধ্যে ও ভালবাসা পরম তৃপ্তি লাভ দেখে।দিদি অঙ্কনের শুভ জন্মদিনে প্রীতি বস্ত্র উপহার তুলে দিল এদিন ।


