সৈয়দ মফিজুল হোদা:-বাঁকুড়াঃ
বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর বাঁকুড়ায় ফের শক্তিক্ষয় গেরুয়া শিবিরের, সেই সঙ্গে ঘর ভাঙ্গলো বাম শরিক আর.এস.পি-ও। বুধবার ঐ দুই দল ছেড়ে ১৭৫ টি পরিবারের ৫০০ জন তাদের দলে যোগ দিয়েছেন বলে তৃণমূল সূত্রে দাবি করা হয়েছে।
এদিন জেলা তৃণমূল ভবনে বিজেপি-আর.এস.পি ছেড়ে আসা নেতা কর্মীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন জেলা সভাপতি শ্যামল সাঁতরা।
তৃণমূল সূত্রে জানানো হয়েছে, ওন্দা-র বিজেপির বেশ কিছু পদাধিকারীর পাশাপাশি আর.এস.পি-র বিষ্ণুপুর ব্লক সম্পাদক নারায়ণ জালান, সভাপতি কার্তিক দে মোদক, শিক্ষক সংগঠনের সম্পাদক বিশ্বনাথ দে, সারা বাংলা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকা সমিতির সম্পাদিকা ও সহ সম্পাদিকা যথাক্রমে মিতা কর্মকার ও সুনন্দা রক্ষিতরা সহ অন্যান্যরা তাদের দলে যোগ দিয়েছেন।
এবিষয়ে আর.এস.পি-র তরফে কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া না গেলেও বিজেপি বিধায়ক নীলাদ্রি শেখর দানার দাবি, বিজেপি ছেড়ে কেউ যায়নি। দলের ৩ বিধায়ক থেকে এখন তা বেড়ে ৭৭ জন। বিজেপি স্বচ্ছতায় বিশ্বাস করে। এই ধরণের 'বর্জ্য পদার্থ' দল ছেড়ে গেলেও তাতে কোন প্রভাব পড়বেনা বলেই তিনি দাবি করেন।
বাঁকুড়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শ্যামল সাঁতরা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান "জয়পুর, বিষ্ণুপুর এবং ওন্দা থেকে প্রায় 150 টি পরিবার আরএসপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করলেন। তাদের মধ্যে বেশ কিছু উচ্চ নেতৃত্ব ছিলেন ব্লক প্রেসিডেন্ট, ব্লক সম্পাদক, জেলার সহ-সম্পাদক ছিলেন মহিলা নেতৃত্ব প্রমূখ । ওন্দা থেকে 25 টি পরিবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করলেন সব মিলিয়ে মোট 175 টি পরিবার থেকে প্রায় 500 জন তৃণমূলে যোগদান করলেন। সকলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শ এবং উন্নয়নকে সামনে রেখেই উনারা এগিয়ে এসেছেন। তাছাড়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতকে শক্ত করতে এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতকে সুদৃড় করতে তৃণমূলে যোগদান করলেন। কারণ প্রত্যেকেই বুঝে গেছেন বাংলার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া কেউ কোনদিন ভাবেনি।"

