বিশেষ প্রতিবেদন, শ্যামপুর, হাওড়া।
স্বাভাবিক ভাবে বিজেপির নির্বাচিত সদস্যদের মধ্যে কৃষ্ণা মন্ডল পঞ্চায়েতের প্রধান নির্বাচিত হয়,
কিন্তু বিধান সভা নির্বাচনের পর গত 11ই জুলাই বেলাড়ী পঞ্চায়েতের বিজেপি সদস্যা অর্চনা নস্কর দলত্যাগ করে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন,
তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করে অর্চনা নষ্কর বলেন বিজেপির নেতারা তাকে কিছু না জানিয়ে অন্ধকারে রেখে কাজ করতেন ,এবং কাজ করার জন্যই তিনি দলত্যাগ করে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেছেন,
এছাড়াও আরো 2জন বিজেপি সদস্য একই অভিযোগে দলত্যাগ করে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন।
যারফলে বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েত বোর্ড সংখ্যালঘু হয়ে পড়ে,
তৃণমূল কংগ্রেসের5জন সদস্য বিজেপির প্রধান কৃষ্ণা মন্ডলের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনেন।
আজ সোমবার অনাস্থার পক্ষে ও বিপক্ষে ভোটাভুটির দিন থাকার ফলে শ্যামপুর 1নং বিডিও অফিস থেকে প্রয়োজনীয় সবরকমের ব্যবস্থা গ্ৰহন করা হয়,
কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচিত 5 জন সদস্য এবং দলত্যাগী 3জন সদস্য যথারীতি পঞ্চায়েতে উপস্থিত ছিলেন,
কিন্তু বর্তমান পঞ্চায়েত প্রধান কৃষ্ণা মন্ডল সহ আরো 3 জন বিজেপি সদস্য অনুপস্থিত ছিলেন ,
স্বাভাবিক নিয়মে পঞ্চায়েতের প্রধান কৃষ্ণা মন্ডল পদচ্যুত হন,
তৃণমূল কংগ্রেসের বহু সভ্য সমর্থক উপস্থিত ছিলেন বেলাড়ী পঞ্চায়েত অফিসের সামনে, উল্লেখযোগ্য ছিলেন জেলা পরিষদের সদস্য অজয় মন্ডল, উলুবেড়িয়া দক্ষিণ কেন্দ্র তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি দেবাশিস ব্যানার্জী,বেলাড়ী অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ডা,সদানন্দ রায়চৌধুরী, রামকৃষ্ণ গের,সুভাষ মন্ডল সহ আরো অনেকে।





