*ভুল থেকে শিক্ষা প্রশাসনের, ভিড় সামলাতে দুয়ারের সরকার কর্মসূচিতে বিডিও এবং বিধায়ক নিজে থেকে সাধারণ মানুষদের ফর্ম ফিলাপ করলেন,অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে তৎপর ছিল হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ*
হরিশ্চন্দ্রপুর;১৯আগস্ট:
খবরের জের। দুদিনের মধ্যেই দুয়ারে সরকার প্রকল্পে দেখা গেল অন্য চিত্র। দুদিন আগে দেখা গেছিল প্রশাসনিক ব্যর্থতার ছবি।বৃহস্পতিবার ফুটে উঠল প্রশাসনিক তৎপরতার ছবি। খোদ বিডিও এবং বিধায়ক উপস্থিতিতে হল কাজ। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মোতায়েন ছিল পুলিশ।
তৃতীয়বার তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যজুড়ে ফের শুরু হয়েছে দুয়ারে সরকার প্রকল্প। আর এই প্রকল্প শুরু হতেই বিভিন্ন জায়গায় দেখা গিয়েছে প্রশাসনিক ব্যর্থতা। লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের ফর্ম নেওয়ার জন্য দেখা গেছে মানুষের হুড়োহুড়ি। এমনকি ভিড়ের চাপে বিভিন্ন জায়গায় অসুস্থ হয়ে পড়েছে বহু মানুষ। উল্লঙ্ঘন হয়েছে স্বাস্থ্যবিধি। মালদহ জেলার হরিশচন্দ্রপুর ২ নং ব্লকের অন্তর্গত হাসিনা হাইস্কুলেও দেখা গেছিল একই চিত্র। এমনকি উঠেছিল ফর্ম লুটপাট করার অভিযোগ। যা নিয়ে রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল পরিস্থিতি। সেই খবর দেখানো হয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে। আর তার জেরেই এবার তৎপর প্রশাসন। বৃহস্পতিবার দুয়ারে সরকার প্রকল্পের কাজ শুরু হয় দৌলতপুর হাই স্কুলে। সেখানে প্রথম থেকেই উপস্থিত থেকে সমস্ত কাজ তদারকি করেন হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নং ব্লকের বিডিও বিজয় গিরি। সাথে ছিলেন হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভার বিধায়ক তজমুল হোসেন। ফর্ম ফিলআপ থেকে ফর্ম জমা নেওয়া সমস্ত কাজ করেন সরকারি আধিকারিকরা।ভিড় সামলাতে এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে তৎপর ছিল হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ।
ফলে এই দিন সুষ্ঠুভাবে চলে দুয়ারে সরকার প্রকল্পের কাজ। যে সব মানুষেরা এসেছিলেন তাদের কাজও ঠিক ভাবে হয়। পুরো ব্যাপারটা নিজে দেখভাল করেন বিডিও বিজয় গিরি।
স্থানীয় বিধায়ক তজমুল হোসেন বলেন, দৌলতপুর হাই স্কুলে দুয়ারে সরকার প্রকল্পের কাজ হচ্ছে।তাই এখানে এসেছি। মানুষের উৎসাহ ,উদ্দীপনা চোখে পড়ার মতো। মমতা ব্যানার্জির জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বিশেষ করে লক্ষীর ভান্ডার নিয়ে মহিলারা খুব খুশি। হরিশ্চন্দ্রপুরের সব জায়গাতেই ক্যাম্প হচ্ছে।"
হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের বিডিও বিজয় গিরির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান দৌলতপুর হাইস্কুলে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে চলছে,যে সব মানুষেরা এসেছিলেন তাদের কাজও ঠিক ভাবে হচ্ছে, আমরা নিজেরাই দাঁড়িয়ে থেকে ফর্ম ফিলাপ করে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি, যাতে কোন রকম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে কর্মসূচি চলছে।
দুইদিন আগে হাসিনা হাইস্কুলে ফুটে উঠেছিল প্রশাসনিক ব্যর্থতার ছবি। ফর্ম না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ছিল সাধারণ মানুষ। উল্লঙ্ঘন হয়েছিল স্বাস্থ্যবিধি। সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে যে প্রশাসন তৎপর হয়েছে তা বৃহস্পতিবারের ছবিতেই পরিষ্কার। বিশেষ করে বিডিও বিজয় গিরির ভূমিকা প্রশংসনীয়। যেভাবে তিনি সমস্ত ঘটনা তদারকি করেছেন। খুশি প্রকল্পের কাজে আসা সাধারণ মানুষেরাও।

