ট্রেন চলাচলের দাবিতে আজ সকালে দক্ষিণ পূর্ব রেলওয়ে শাখার চেঙ্গাইল স্টেশনে ট্রেন অবরোধ করলেন জনতা।
তাদের একটাই দাবি, সাধারণ মানুষদের জন্য ট্রেন চালাতে হবে।
এতদিন ট্রেন সহ অন্যান্য গণ পরিবহণ বন্ধ ছিল।
এই সময়ে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ, সরকারি, বেসরকারি চাকরিজীবি, শ্রমিক, দিনমজুর সহ নিত্যযাত্রীরা সকলেই ম্যাটাডোর, ভ্যান ভাড়া করে একপ্রকার কোনও করোনা বিধি না মেনেই পেটের টানে বাধ্য হয়ে রোজ কলকাতা ও শহরতলির বিভিন্ন জায়গাতে কাজে গেছেন। বর্তমানে জ্বালানির দাম একশো পার। এই অবস্থায় বাইকে রোজ গন্তব্যে পৌঁছতে অপারগ এক শ্রেণীর নিত্যযাত্রীরা।
বাপ্পা পাল, সায়ন দে, অমিত দাস এদের মতো নিত্যযাত্রীদের বক্তব্য গত ১লা জুলাই থেকে যখন অন্যান্য সব গণ পরিবহণ চলছে।
তাহলে করোনা বিধি মেনে অবিলম্বে ট্রেন চলাচল শুরু হলে যেভাবে মানুষ এখন রোজ কাজে যাচ্ছে, তার থেকে নিষ্কৃতি পাবেন।
কল্যান হালদার, দেবাশিস দাস জানান, এখন যেভাবে মানুষ কাজে যাচ্ছে তাতেও কিন্তু সংক্রমণের যথেষ্ট ভয় আছে।
অবিলম্বে লোকাল ট্রেন চালাতে হবে। স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে সাধারণ নিত্যযাত্রীদের উঠতে দিতে হবে। এই দাবিতে মঙ্গলবার সকাল থেকে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের হাওড়া-খড়্গপুর শাখার চেঙ্গাইল স্টেশনে রেল অবরোধে সামিল হলেন বেশ কয়েক'শো মানুষ।
আজ মঙ্গলবার সকাল ন'টা নাগাদ চেঙ্গাইল স্টেশন চত্বরে রেলট্র্যাকের উপর কংক্রিটের বোল্ডার ফেলে ট্রেন অবরোধ করেন শতাধিক মানুষ।
এর জেরে চেঙ্গাইল স্টেশনেই আটকে যায় স্টাফ স্পেশাল ট্রেন। অন্যান্য স্টেশনে আটকে যায় একাধিক মালগাড়ি ও দূরপাল্লার ট্রেন। অবরোধকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় তারা শহরে কাজে যেতে পারছেন না। বাস চালানো হলেও তাতে বাদুড় ঝোলা ভিড়। একমাত্র লোকাল ট্রেনই তাদের ভরসা। কিন্তু এখনো লোকাল ট্রেন চালানো হচ্ছে না। তাদের দাবি, অবিলম্বে লোকাল ট্রেন চালাতে হবে ও স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে সাধারণ মানুষকে উঠতে দিতে হবে।
অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে দুপুর 12টার পর অবরোধ উঠে যায়।



