2020 সালের এই 29 শে জুলাই কেন্দ্রীয় সরকার বিদ্যাসাগর মহাশয়ের শিক্ষা চিন্তাকে সম্পূর্ণ পদদলিত করে শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ সাম্প্রদায়িকীকরণ ও শিক্ষার মর্মবস্তু কে ধ্বংস করবার উদ্দেশ্যে জাতীয় শিক্ষানীতি 2020 প্রবর্তন করে। এই শিক্ষানীতিতে উচ্চমাধ্যমিক তুলে দিয়ে দ্বাদশ শ্রেণী কে নামিয়ে আনা হয়েছে মাধ্যমিক স্তরে।
করোনা অতিমারির সুযোগ নিয়ে উচ্চশিক্ষায় "ব্রেন্ডেড মোড এর নামে 40% পাঠ অনলাইনে দিতে ইউ .জি.সি নির্দেশিকা জারি করেছে। "ইন্ডিয়ান নলেজ সিস্টেম" এর নামে কি শেখাতে হবে তা শিক্ষকদের বোঝানোর জন্য নীতি আয়োগ দায়িত্ব দিয়েছে আরএসএস এর শিক্ষক সংগঠনকে।
সারাদেশে এক ইতিহাস সিলেবাস চালু করার নামে এদেশের গবেষণালব্ধ প্রামাণ্য ইতিহাস বাতিল করে আরএসএস বর্ণিত এ দেশের ইতিহাস যার বহু কিছুই পৌরাণিক কাহিনী, অবৈজ্ঞানিক এবং বিকৃত সেগুলোকেই স্নাতক স্তরের ইতিহাস সিলেবাসে ঢোকানো হচ্ছে। এরকম আরো নানান দিক থেকে শিক্ষাকে ধ্বংস করার পরিকল্পনা রয়েছে এই জাতীয় শিক্ষানীতিতে। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই অল বেঙ্গল সেভ এডুকেশন কমিটি বিদ্যাসাগর মহাশয়ের প্রয়াণ দিবস 29 শে জুলাই কে "শিক্ষা বাঁচাও দিবস" হিসাবে পালনের ডাক দিয়েছে।
এই কর্মসূচির অঙ্গ হিসাবে আজ বাগনান স্টেশন চত্বরে বিক্ষোভ অবস্থানের কর্মসূচি পালন করা হয়। এই বিক্ষোভ অবস্থানে বক্তব্য রাখেন হাওড়া জেলার শিক্ষা আন্দোলনের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব মাননীয় শিক্ষক চণ্ডীচরণ মাইতি মহাশয়। তিনি এই সর্বনাশা শিক্ষানীতি প্রতিরোধে শিক্ষাবিদ, ছাত্র, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগী সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।




