পুলিশ প্রেমিকার দাদাকে গ্রেপ্তার করেছে।
জানা গিয়েছে, বাঁকড়ার পেয়াদাপাড়ার বস্ত্র ব্যবসায়ী বছর একুশের যুবক শেখ আফসার আলির সঙ্গে পাশের মণ্ডলপাড়ার বাসিন্দা তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বেশ কিছুদিন আগে থেকেই।
আর এই সম্পর্কের কথা জানতে বাকি ছিল না উভয় এলাকার কারও।
দিব্যি ঘুরে ফিরে বেড়াত তারা। মোবাইলে কথোপকথনও লেগেই থাকত তাদের। তবে কিছুদিন সম্পর্ক ঠিকঠাক চলছিল না। দু’জনের মধ্যে মনোমালিন্য লেগেই ছিল।
যদিও কেন মনোমালিন্য লেগে ছিল, সে বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়। প্রেমিক শেখ আফসার আলি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন আর সম্পর্ক রাখবেন না। তা প্রেমিকাকে জানিয়েছিলেন তিনি। তাতেই ঘটল বিপত্তি।
প্রেমিকের দাবি, মঙ্গলবার সন্ধেয় স্থানীয় ক্লাবে ছিলেন তিনি। ফোন করে ওই তরুণী স্থানীয় একটি বটতলায় যুবককে ডেকে পাঠায়।
সেখানেই হাজির ছিলেন তরুণীর দাদাও। অভিযোগ, বটতলায় যাওয়ামাত্রই তাঁর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রেমিকার দাদা।
প্রেমিকার উপস্থিতিতে ব্লেড দিয়ে বারবার আক্রমণ করে যুবককে।
রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তাতেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। ঘটনাস্থল ছাড়ে প্রেমিকা ও তার দাদা। ডান হাত এবং বুক থেকে রক্ত ঝরতে দেখে এগিয়ে আসেন স্থানীয়রা। যুবককে উদ্ধার করে স্থানীয় এক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
সেখানে বুকে পাঁচটি এবং হাতে দশটি সেলাই হয় তাঁর। এই ঘটনায় বাঁকড়া পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ জানিয়েছেন যুবক। গ্রেপ্তার প্রেমিকার দাদা।


