বৈশাখী দাস,
ইয়াসের ছোবলে শ্যামপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা বিধ্বস্ত হয় । সেখানে কবি পূর্ণেন্দু পত্রীর নাকোল গ্রামেরও অবস্থা অত্যন্ত খারাপ হয়ে পড়ে । এই নাকোল পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ধুধুটি গ্রামের ক্ষতি হয় ভয়াবহ। এই অঞ্চলের মূলত জেলে বসতির সমস্ত ঘরবাড়ি ভেসে যায় ।
জামাকাপড়, রান্নার বাসনপত্র অবধি ভেসে যায় । এই পরিস্থিতিতে বেলাড়ী রামকৃষ্ণ মিশনের বিবেকানন্দ ছাত্রাবাস ও শীতলপুর- ভরাপুরা কালচারাল অ্যাসোশিয়েসন, ধূমকেতু হাতে হাত রেখে এগিয়ে যায় ঐ সর্বহারা মানুষগুলোর পাশে কিছু শুকনো খাবার, থালা ও শুকনো জামাকাপড় নিয়ে । এই কঠিন পরিস্থিতিতে একটু বেঁধে বেঁধে থাকার প্রয়াস ।

