বৈশাখী দাস,
সর্বগ্রাসী ইয়াসের ফলে তীব্র জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হয় মায়াচর।
ওখানের পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে মায়াচরের মূল অংশ থেকে ।
তাই সামনের মানুষগুলো সাহায্য পেলেও পশ্চিমের সাথে যোগাযোগ কঠিন হয়ে যায় । ভাঙা রাস্তা এক কোমর জল পেরিয়ে ওদের কিছু মানুষ রান্না করা খাবার বা শুকনো খাবার আনতে যখন এসে উপস্থিত হয় তখন বেশিরভাগ সময়ই সামগ্রী শেষের পথে ।
এমতাবস্থায় কয়েকজন শিক্ষক শিক্ষিকা ও কিছু দরদী মানুষ মিলে এই মানুষগুলোর কাছে পৌঁছে যায় সুখ দুঃখের ভাগীদার হতে ।
শিক্ষক শিক্ষিকাদের সাথে ছিল চাল, আলু, ডাল, তেল, সয়াবিন, মুড়ি, বিস্কুট,ছোটদের জন্য হরলিক্স , সাবান ও স্যানিটারি ন্যাপকিন।
কিছুটা সময় ওদের অনাবিল ভালোবাসায় ভরে যায় ।

