ইংলিশবাজার শহরাঞ্চলে এখন পর্যন্ত ৫০ শতাংশ মানুষের ভ্যাকসিনেশন সম্পূর্ণ হয়েছে। মালদা-ইংলিশবাজার শহরাঞ্চলে এখন পর্যন্ত ৫০ শতাংশ মানুষের ভ্যাকসিনেশন সম্পূর্ণ হয়েছে। দ্রুত বাকিগুলিও করা হবে বলে জানান জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্র। রবিবার শহরের ধীরেন্দ্রনাথ সাহা স্কুলে বিশেষ চাহিদা সম্পন্নদের ভ্যাকনিসেশন-এর ব্যবস্থা করা হয়। সেখানে হাজির ছিলেন জেলাশাসক। তিনি জানান, শহরে ভ্যাকসিনের উপযোগী মানুষের সংখ্যা ২ লাখ ৪০ হাজার। তার মধ্যে ১ লাখ ৬২ হাজার মানুষের ভ্যাকসিনেশন হয়ে গেছে। গ্রাম থেকে শহরে এসে টীকাগ্রহীতাদের সংখ্যা মোটামুটি ২০ হাজার বাদ দিলে শহরে ভ্যাকসিনেশনের সংখ্যা ৫০ শতাংশ হয়ে যাচ্ছে। পুরাতন মালদায় ৪৫ হাজার ১৪২ জনের ভ্যাকসিনেশন হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, ‘ভ্যাকসিনের সময় যাতে হুটোপাটি না পড়ে তার জন্য আমরা স্লট বুকিংয়ের মাধ্যে ভ্যাকসিনেশন-এর ব্যবস্থা করি। তাতে অতিরিক্ত ভিড়টা এড়ানো গেছে। স্লট বুকিংয়ের সময় ধরে নির্ধারিত কয়েকজন এসে টীকা নিচ্ছেন। আমরা কাজের দিনগুলিতে গড়ে ২৫০০-৩০০০ টিকা দিয়ে চলেছি।’দ্রুত বাকিগুলিও করা হবে বলে জানান জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্র। রবিবার শহরের ধীরেন্দ্রনাথ সাহা স্কুলে বিশেষ চাহিদা সম্পন্নদের ভ্যাকনিসেশন-এর ব্যবস্থা করা হয়। সেখানে হাজির ছিলেন জেলাশাসক। তিনি জানান, শহরে ভ্যাকসিনের উপযোগী মানুষের সংখ্যা ২ লাখ ৪০ হাজার। তার মধ্যে ১ লাখ ৬২ হাজার মানুষের ভ্যাকসিনেশন হয়ে গেছে।
গ্রাম থেকে শহরে এসে টীকাগ্রহীতাদের সংখ্যা মোটামুটি ২০ হাজার বাদ দিলে শহরে ভ্যাকসিনেশনের সংখ্যা ৫০ শতাংশ হয়ে যাচ্ছে। পুরাতন মালদায় ৪৫ হাজার ১৪২ জনের ভ্যাকসিনেশন হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, ‘ভ্যাকসিনের সময় যাতে হুটোপাটি না পড়ে তার জন্য আমরা স্লট বুকিংয়ের মাধ্যে ভ্যাকসিনেশন-এর ব্যবস্থা করি। তাতে অতিরিক্ত ভিড়টা এড়ানো গেছে। স্লট বুকিংয়ের সময় ধরে নির্ধারিত কয়েকজন এসে টীকা নিচ্ছেন। আমরা কাজের দিনগুলিতে গড়ে ২৫০০-৩০০০ টিকা দিয়ে চলেছি।’
