সুদীপ ঘোষ, ঝাড়গ্রাম
পশ্চিমবঙ্গের উপকূল থেকে অনেকটা দূরে সরে গিয়েছে। তবে ওড়িশার ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয়নি। বরং ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে স্থলভাগের দিকে ধেয়ে আসছে 'ইয়াস'। যা আগামিকাল (বুধবার) দুপুরে পারাদ্বীপ এবং সাগরের মাঝখানে ধামরার উত্তরে এবং বালাসোরের দক্ষিণে স্থলভাগে আছড়ে পড়বে। সেইসময় ঝড়ের গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ১৫৫-১৬৫ কিলোমিটার। দমকা হাওয়ার বেগ কখনও কখনও ঘণ্টায় ১৮৫ কিলোমিটারে পৌঁছে যেতে পারে।
পশ্চিমবঙ্গে দাপট খানিকটা কম থাকবে। পূর্ব মেদিনীপুরে সবথেকে বেশি প্রভাব পড়বে। সেখানে ঘণ্টায় ঝড় বইতে পারে ৯০-১২০ কিলোমিটার বেগে। কখনও কখনও দমকা হাওয়ার বেগ ঘণ্টায় ১৪৫ কিলোমিটারে পৌঁছে যেতে পারে। এছাড়াও 'ইয়াস'-এর প্রভাবে দুই পরগনা, কলকাতা, নদিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টি ও ঝড় হবে। আর এইমতো অবস্থায় গোপীবল্লভপুরের মানুষ জনদের ত্রাণকর্তার ভূমিকায় দেখা গেল গোপীবল্লভপুর থানার পুলিশকে। গত কয়েকদিন ধরেই এলাকায় বিভিন্ন সতর্কতা মূলক বিষয়ের প্রচারের পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন গ্রামের মানুষ দের নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দিতে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে তারা। সেই সঙ্গে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার এলাকায় মাইকিং করে প্রচার চালাচ্ছেন তারা। এই উপলক্ষে গোপীবল্লভপুর থানার সাব ইন্সপেক্টর পার্থ সারথি দে বলেন আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে থেকে যা জানতে পেরেছি তাতে ইয়াস গোপীবল্লভপুর এলাকার উপর দিয়ে যেতে পারে ।
সে ক্ষেত্রে হয়তো বিশাল ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে আবার এটাও হতে পারে শুধু মাত্র এই এলাকাকে চেয়ে বেরিয়ে যেতে পারে ইয়াস। কিন্তু তবুও সতর্কতা মূলক হিসাবে আমরা নানান ব্যবস্থা নিয়েছি। এলাকার কাঁচাবাড়িতে বসবাসকারীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমরা নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। এছাড়াও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ দল এলাকা পরিদর্শন করেছে যেখানে যা ব্যবস্থা নেওয়ার তা নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়াও ঝড় পরবর্তী কালে জন্য গাছ কাটার ,বা অন্যায় উদ্ধার কার্ডের জন্য বিশেষজ্ঞ দল ইতি মধ্যেই এখানে এসে পৌঁছেছে । ইয়াস এর প্রভাবে ক্ষয়ক্ষতি যত টা কম করা যায় তার জন্য প্রশাসন তৎপর রয়েছে।


