দেউলটি,গয়লাপাড়া,কালীতলা,বেনাপুর,সাইবেনিয়া,ডিহি মন্ডল ঘাট ,নারিকেল দহ,কমলপুর বাজার, দেউলিয়া বাজার, গাদিয়াড়া,শিবপুরের ব্যাপক অংশ জলমগ্ন, রুপনারায়ন নদীর জল বাঁধ উপছে এলাকায় ঢুকে পড়ে এবং ব্যাপক এলাকায় জলমগ্ন হয়ে পড়ে, অপরদিকে ভাগীরথী নদীর জলে শ্যামপুরের ধ্বজা,আলিপুর,58গেট সংলগ্ন চন্ডিপুর, পুকুরিয়া, খুঁড়িগাছি,
উলুবেড়িয়ার হীরাপুর,কালীনগর, উলুবেড়িয়ার শতাব্দী প্রাচীন কালীমন্দির চত্বর,জগদীশপুর, উলুবেড়িয়া থানা সংলগ্ন,বাউড়িয়ায় একাধিক এলাকায় জলমগ্ন হয়ে পড়ে, ভাগীরথী নদীর জল ঢুকে পড়ে বহু এলাকায় বন্যার আশংকা দেখা দিয়েছে, অপেক্ষা কৃত নীচু এলাকার মানুষজন কে নিয়ে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়,বহু মানুষ ঘরছাড়া,
বহু ইটভাটা জলের তলায়, চাষের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, মাছ চাষীরাও ব্যাপভাবে ক্ষতিগ্রস্ত,
উলুবেড়িয়ার কালীনগর, হীরাপুর সহ একাধিক এলাকায় তদারকিতে রাজ্যের মন্ত্রী তথা স্থানীয় বিধায়ক পুলক রায়,
শ্যামপুরের বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় তদারকিতে শ্যামপুর 2পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি জুলফিকার আলী মোল্লা, সহ একাধিক প্রশাসনিক কর্তারা তদারকির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে,
একাধিক বিদ্যালয়কছ ত্রাণ শিবির করে সাধারণ মানুষের পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে,
ভরা কোটাল পূর্ণিমার রাতের জোয়ারে আরো জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা যারফলে মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক।





