এই সভায় উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তরের মন্ত্রী পুলক রায়,হাওড়া জেলা গ্ৰামীন পুলিশ সুপার সৌম্য রায়,শ্যামপুর থানার আই সি তন্ময় ভট্টাচার্য্য, শ্যামপুর2নং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি জুলফিকার আলী মোল্লা, শ্যামপুরের বিধায়ক কালীপদ মন্ডল, শ্যামপুর 2 নং বিডিও ফারজানা খানম সহ একাধিক প্রশাসনিক কর্তাব্যাক্তিরা,
তিন দিকে নদী দিয়ে বেষ্ঠিত শ্যামপুর,বিশেষ করে গাদিয়াড়ায় ভাগীরথী নদী ও রুপনারায়ন নদীর সংযোগ স্থলে জলের উচ্চতা বৃদ্ধি হবার ফলে জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা রয়েছে, এবং আশেপাশের গ্ৰামে নদীর জল ঢুকে বন্যার আশঙ্কা রয়েছে, এবং এলাকার মানুষের মধ্যে এক আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ঠিক এক বৎসর আগে ঘুর্নিঝড় আমফানের ফলে এলাকায় নদীবাঁধ ফাটল দেখা গিয়েছিল, যারফলে আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষথেকে মাইকিং করে সাধারণ মানে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, এবং আশ্রয়স্থল হিসেবে এলাকার বেশকিছু বিদ্যালয়কে নেওয়া হয়েছে এবং সবধরনের ব্যবস্থা প্রশাসনের পক্ষহতে নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
বৈঠক শেষে প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ নদীবাঁধ এলাকায় সরেজমিনে পরিদর্শন করেন,এবং স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন।



