জন্মদিনে গুটীনগরীর যুবক সৈয়দ তমোঘ্ন রক্ত দিলেন শ্যামপুরের থ্যালাসেমিয়া শিশু অয়ন গুড়েকে। তমোঘ্ন এর জন্মদিনকে স্মরণ করতে ও থ্যালাসেমিয়া শিশুদের জন্য ব্লাড ডোনার হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপের ডাকে এক ঘন্টার প্রস্তুতিতে রক্তদান করলেন
শেখ মহরম, শেখ মোমিনাল, শেখ নবাব, শেখ রাজু, শেখ জালালরা।
শ্যামপুরের থ্যালাসেমিয়া শিশু অয়ন গুড়ে কিংবা পাঁচলার খয়জাপুরের শরমিনা খাতুনের জীবন রক্ষার জন্য রক্তদানের আবেদন আসে।
মঙ্গলবার রাতে সংগঠনের ডাকে সাড়া দিয়ে গ্রুপ সদস্য তমোঘ্ন ইচ্ছে প্রকাশ করেন একজন থ্যালাসেমিয়া শিশুকে নিজের জন্মদিনকে স্মরণীয় করতে রক্তদান করবেন। বুধবার সকাল সাড়ে ন'টাতেও ঠিক ছিল কেবল তমোঘ্নের রক্তদানের। দিনটাকে স্মরণীয় শুধু নয় জীবন রক্ষার লড়াই এর শপথ নিতে আবেদন জানায় রক্তদাতাদের সংগঠন ব্লাড ডোনার হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ।
রক্তদান করতে রাজী থাকলেও শেখ মহরম, শেখ মোমিনাল, শেখ নবাব, শেখ রাজু, শেখ জালাল হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে যেতে চাইছিল না।
ব্লাড ডোনার হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপের তরফে সকাল দশটায় গ্রুপের সংগঠক সমীর প্রামাণিক সঞ্জীবন হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আবার গ্রুপ সদস্য দীপঙ্কর ঘোড়ুই বাইকে করে রক্তদাতাদের নিয়ে আসেন সুদূর শ্যামপুর থেকে।
এক ঘণ্টার মধ্যে গ্রুপ সদস্যদের প্রচেষ্টায় গরুহাটার কাছে একটি ঘরে রক্ত সংগ্রহের ব্যবস্থা হয়। রক্তদানের সময় উপস্থিত থাকেন গ্রুপের সংগঠক শতাব্দী বেরা। দুপুরেই রক্ত পেয়ে কয়েকজন থ্যালাসেমিয়া শিশুর জীবন রক্ষা হয়।
ব্লাড ডোনার হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপের পক্ষ থেকে গ্রুপ সদস্য তমোঘ্ন সৈয়দ সহ সকল রক্তদাতা ও সহযোদ্ধাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন ব্লাড ডোনার হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপের সংগঠক শতাব্দী বেরা।





