হাওড়া জেলা সদর বিজেপির নেতৃত্বে হাওড়া পুলিশ কমিশনারের অফিসের সামনে ঘেরাও কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হলো। উল্লেখ্য বালি থানা এলাকায় বেশ কিছুদিন আগে এক বিজেপি কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়।
সেই ঘটনায় যুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিতে ও বিজেপি কর্মী নেতাদের মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে আজ বিজেপির পক্ষ হতে এই কর্মসূচি বিজেপির।
এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং।
হাওড়া পুলিশ কমিশনারের অফিসের আগে পুলিশের ব্যারিকেড করে আটকে দেওয়া হয়েছে বিজেপি কর্মীদের।
এবং সেখানেই চলছে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের চলে তুমুল বিক্ষোভ।
এরই মধ্যে বিজেপির ব্যারাকপুরের লোকসভার সাংসদ ও রাজ্য বিজেপির সহ সভাপতি অর্জুন সিংয়ের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল হাওড়া পুলিশ কমিশনারের অফিসে দেখা করে স্মারকলিপি জমা দিতে যান।
পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদে বিজেপি কর্মীরা সাংসদ অর্জুন সিং এর নেতৃত্বে হাওড়া সিটি পুলিশ কমিশনারের অফিস ঘেরাও করল। আজ দুপুরে পুলিশ কমিশনার কুনাল আগরওয়ালের অফিসের সামনে বিজেপি কর্মীরা বঙ্কিম সেতুর নিচ থেকে থেকে মিছিল করে আসে। আগে থেকেই অফিসের সামনে গাডরেল দিয়ে ব্যারিকেড তৈরি করে পুলিশ। মোতায়েন করা হয় বিরাট পুলিশ বাহিনী এবং রাফ। বিজেপি কর্মীরা ব্যারিকেড ভেঙে কমিশনারের অফিসের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশ আটকে দেয়। এরপর অর্জুন সিং এর নেতৃত্বে বিজেপির একটি প্রতিনিধিদল পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে অফিসে দেখা করতে যায়। কিন্তু পুলিশ কমিশনার অফিসে না আসায় তারা দেখা করতে পারেননি। এর প্রতিবাদে বিজেপি নেতারা অন্য অফিসারের কাছে স্মারকলিপি জমা দেয়নি। এরপর অর্জুন সিং এর নেতৃত্বে বিজেপি নেতারা কমিশনারের অফিসের সামনে পোস্টার নিয়ে বসে পড়েন। অর্জুন সিং এর অভিযোগ গত শনিবার বেলুড়ে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষে প্রমোদ দুবে নামে এক বিজেপি কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়। ঘটনাস্থলে গুলি চালানোর পাশাপাশি বোমাবাজি হয়। পুলিশ ওই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার না করায় তিনি ক্ষোভ উগরে দেয়। তিনি বলেন ঘটনাস্থল এর যাবতীয় ছবি এবং সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশের কাছে থাকা সত্ত্বেও এখনো পর্যন্ত মূল অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কৈলাস মিশ্রকে পুলিশ গ্রেফতার করেনি।

তিনি দাবি করেন আগে থেকে খবর দেয়া সত্ত্বেও পুলিশ কমিশনার তার সঙ্গে দেখা না করায় একজন সাংসদকে অপমান করেছেন। তাই তিনি এ বিষয়ে রাজ্যপাল, রাষ্ট্রপতি এবং লোকসভার স্পিকারের কাছে ফুটেজ সমেত অভিযোগ দায়ের করবেন। আগামী বিধানসভা নির্বাচন রক্তাক্ত হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন অবিলম্বে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে নির্বাচন করা উচিত। না হলে অবাধ নির্বাচন হবে না। এ ব্যাপারে তিনি নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ দাবি করেন।
কি
ন্তু আগে থেকে সময় দেওয়া সত্ত্বেও হাওড়া পুলিশ কমিশনার অফিসে উপস্থিত ছিলেন না।
পুলিশ কমিশনারের অফিসে না থাকার ঘটনায় যথেষ্ট অপমানিত বোধ করেন ব্যারাকপুরের সংসদ অর্জুন সিং।
পরে তিনি সাংবাদিক দের প্রশ্নের উত্তরে বিষয়টি লোকসভার সংসদে উত্থাপন করবেন বলে জানান।