সেভাবেই রাজ্যে রক্তের আকাল মেটাতে গ্রামীণ চিকিৎসকদের সংগঠন প্রোগ্রেসিভ রুরাল ফিজিসিয়ান ওয়েলফেয়ার এ্যসোসিয়েশন এগিয়ে এসেছে।
সংগঠনের রাজ্য
সভাপতি মাননীয় শ্রী মনোজ চক্রবর্তী মহাশয়ের নির্দেশ মেনে সংগঠনের সদস্যরা নিজেদের বিপদের ঝুঁকি মাথায় নিয়েও গ্রামবাংলার খেটে খাওয়া কৃষিজীবী শ্রমজীবী সাধারণ মানুষের স্বার্থে চিকিৎসা পরিষেবা দিয়ে চলেছে।
গ্রামবাংলার মানুষের পাশে থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা পরিষেবা দিতে গিয়ে সংগঠনের দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা জেলা সভাপতি বনমালী মণ্ডল সহ অন্যান্য জেলার বেশ কয়েকজন সদস্য গ্রামীণ চিকিৎসক মৃত্যু বরণ করেছেন।
সংগঠনের হাওড়া জেলার কার্য্যকরী সভাপতি সেখ আলাউদ্দিন বলেন,যে কোভিড নাইন্টিন সংক্রমণের দুঃসময়ে আমাদের মতো গ্রামীণ চিকিৎসকরাই সাধারণ মানুষের মন থেকে আতঙ্ক দূর করে লড়াইয়ের সাহস যুগিয়েছে।
দীর্ঘ লকডাউনে যেখানে প্রাইভেট ক্লিনিকে পাশ করা ডাক্তারবাবুরা সাধারণ মানুষের ধরা ছোঁয়ার বাইরে, সেখানে গ্রাম বাংলার গ্রামীণ চিকিৎসকরায় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে চিকিৎসা পরিষেবা দিয়ে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।
সরকার, কোভিড কালে করোনা যোদ্ধা হিসেবে যাঁরা প্রথম সারিতে রয়েছে, যেমন আশাকর্মী, বিভিন্ন স্বাস্থ্য কর্মী, সাফাই কর্মী, ডাক্তার, নার্স, পুলিশ এদের নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন ভাবে সরকারি সহায়তার কথা ঘোষণা করেছেন, কিন্তু গ্রামীণ চিকিৎসকদের সরকার কোনোরকম সহায়তা করার কথা বলছেন না।
অথচ সরকার ভালোভাবেই জানে গ্রাম বাংলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা কে ঠিক রাখার জন্য আমাদের মত গ্রামীণ চিকিৎসকদের উপস্থিতি কে অস্বীকার করা যাবে না।
তাই আমরা সংগঠনগত ভাবে সরকারের কাছে দাবী জানাচ্ছি গ্রামীণ চিকিৎসক দের করোনাযোদ্ধা হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে উন্নত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরিষেবায় লাগানো হোক।

