সুদীপ ঘোষ ঝাড়গ্রাম
কোয়ারেনন্টাইন সেন্টারে নিরাপত্তা রক্ষীকে মারধরের ঘটনার পরেই আহত পরিবারের পাশে দাঁড়ালো জেলা প্রশাসন। জেলা শাসক আয়েষা রানী নিজে আক্রান্তের বাড়িয়ে তার যাবতীয় চিকিৎসার ব্যাবস্থা করার আশ্বাস দিয়ে আসেন। উল্লেখ্য মঙ্গলবার রাতে সাঁকরাইল ব্লকের বাঁকড়াতে কোয়ারেনন্টাইন সেন্টারে বিজেপির লোকজনেরা গিয়ে নিরাপত্তার রক্ষীকে মারধর করে অভিযোগ।
আহত ব্যক্তির মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। এই ঘটনায় পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করেছে।
এই বিষয়ে ঝাড়গ্রাম জেলার অন্যতম তৃণমূলের মুখপাত্র উমা সোরেন বলেন "পুলিশকে বলেছি দোষীদের গ্রেফতার করতে।জঙ্গলমহলে যাতে কেউ অশান্তী বাধাতে না পারে তার জন্য পুলিশকে বলেছি ।" এ বিষয়ে ঝাড়্গ্রাম জেলা বিজেপির সভাপতি সুখময় শতপথি বলেন, "গ্রামের মানুষের কাছে কোন তথ্য নেই। করোনা রোগীদের সাথে মেলামেশা করে গ্রামের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে।গ্রামবাসীদের মধ্যে বিভ্রান্তী রয়েছে।গ্রামবাসীদের সাথে বচসা থেকে মারামারি হতে পারে।বিজেপির কেউ জড়িত থাকলে দল তদন্ত করে দেখবে।তবে প্রশাসন নিজেদের ব্যার্থতা ঢাকতে বিজেপির উপর দায় চাপাচ্ছে।"

