পরিযায়ী শ্রমিকদের পরিবারই এই ব্যাবস্হা করতে বাধ্য হচ্ছেন তাদের প্রিয়জনদের জীবন বাঁচাতে। পরিবারের লোকরা খাবার পৌঁছে দেওয়াকে কেন্দ্র করে অসহায় মানুষদের ওপর পুলিশের লাঠি চালনা অত্যন্ত দুঃখ জনক। আমরা পুলিশের এই ভূমিকার তীব্র নিন্দা করছি। একই সাথে এই জেলার প্রতিটি কোরেন্টাইন সেন্টারে সরকারি ঘোষণা মত শ্রমিকদের খাওয়া সহ পূর্ণ দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে।ভবিষ্যতে এই জেলার কোথাও এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। কোরেন্টাইন সেন্টারের চারদিকের জনবসতির মানুষের মধ্যে কোন আশঙ্কা ও আতঙ্ক থাকা স্বাভাবিক। প্রশাসনকে মানবিকতার ও দায়বদ্ধতার ভিত্তিতে বিষয়গুলো দেখতে হবে। শুভেচ্ছা সহ সৌমিত্র সেন গুপ্ত জেলাসম্পাদক হাওড়া সদর, এস ইউ সি আই ( কমিউনিস্ট) ৫/৬/২০
জেলা শাসক, হাওড়া, মহাশয়, আপনি ইতিমধ্যেই অবগত আছেন হাওড়া জেলায় কোভিদ১৯ এ আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা আপনাদের সাথে সাথে আমাদের ও গভীর উদ্বেগের মধ্যে রেখেছে। মানবিক ও সরকারি দায়িত্বের মধ্যেই পরিযায়ী শ্রমিকদের রাজ্যে ফিরিয়ে আনার কাজটি সম্পন্ন করার কথা।তার সাথে সাথে হাওড়া স্টেশনে হাওড়া জেলার যারা পরিযায়ী শ্রমিক আসছেন তাদের কোভিদ১৯ এর জন্য মেডিক্যাল যে বিধিনিষেধ মানা দরকার তা সম্পন্ন করে জেলার বিভিন্ন কোরেন্টাইন সেন্টারে সরকারি তত্বাবধানে পাঠানো এবং কোরেন্টাইন সেন্টারে থাকা পূর্ণ সরকারি দায়িত্বে তাদের থাকা,খাওয়া, চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার কথা, সরকার সে ভাবে ঘোষণা করেছেন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ জনক ঘটনা পাঁচলা ব্লকে বনহরিপুর গ্রাম পন্চায়েতের অন্তর্গত নয়াচক স্কুলে কোরেন্টাইন সেন্টারে যে পরিযায়ী শ্রমিকরা আছেন তাদের দুবেলা খাওয়া ও টিফিন, ও অন্যান্য পরিষেবা তাদের দেওয়া হচ্ছে না।

